CategoriesHuman RightsJusticePolitics

বিশ্বজিৎ হত্যা: মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই ছয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর

১৯৭২-৭৫ সালে তৎকালীন সরকার রক্ষী বাহিনী দিয়ে নকশাল নিধনের নামে দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে যে নিষ্ঠুরতায় মেতে উঠেছিলো, বর্তমান সরকার তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিপক্ষ শক্তিকে নিধনের খেলায় মেতে উঠে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে। এরই ফলশ্রুতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বজিৎকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে।

বিশ্বজিৎ-এর ভয়ার্ত মায়াবী মুখ, তার রক্তাক্ত শরীরে হামলে পড়া কিরিচ, লোহার রড হাতে দৃশ্যমান সমস্ত জারজ পশুর ছবিটি এখনও যন্ত্রণাবিদ্ধ করে তোলে, প্রবলভাবে ক্ষুদ্ধ করে। মানুষ ভিডিওচিত্রে তাদের হত্যাকারী হিসেবে দেখলেন; অথচ তাদের কারও শাস্তি কমে গেলো, কেউ খালাস পেয়ে গেলো, পলাতকদের ধরার চেষ্টাই হলো না। একটা প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ড। সীমাহীন বর্বরতা ও নৃশংসতা। ভিডিও ফুটেজ। স্টিল ফটোগ্রাফ। ক্যামেরার সামনে বিশ্বজিৎকে মেরেছে মোট ছয় থেকে আটজন আর ফাঁসির রায়  দু’জনের কেন? দলীয় সরকার যে ন্যায়বিচার করবে না, তা একরকম নিশ্চিতই ছিল। একেই বলে অবিচার৷ এই বিচার মানি না৷

সোর্সঃ  https://www.bbc.com/bengali/news-40843272