গত ০৭ জানুয়ারি আওয়ামী সরকার তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সারাদেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর যে জুলুম নির্যাতন চালিয়েছিল সেটির আরও একটি কু-নজির স্থাপিত হয়েছিলো আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট গায়েবী মামলার মধ্য দিয়ে।
Category: Democracy
স্বৈরাচার হাসিনা ও বাংলাদেশের মৃত গণতন্ত্র
বাঁচার অধিকার, মতপ্রকাশের অধিকার এবং দেশের ভাগ্য নির্ধারণে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারকে কবরে পাঠিয়ে যে বাঁচা -তাতে সভ্য ভাবে বাঁচার কাজটি হয় না। সেটি নিরেট বর্বর যুগের অসভ্যতা। সে অসভ্যতা তাদের হাতেই প্রচণ্ড রূপ লাভ করে যাদের যুদ্ধের মূল লক্ষ্য জনগণের অধিকার হনন। বাংলাদেশের মাটিতে জনগণের অধিকার নির্মূলের যুদ্ধটি প্রথম শুরু করেন শেখ মুজিব। সে যুদ্ধে তিনি বিজয় লাভ করেন একদলীয় বাকশালের প্রতিষ্ঠা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে কবরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে।
আওয়ামী লীগ: জন্মগতভাবে সন্ত্রাসী দল
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চূড়ান্ত উদাহরণ। এ দলের ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়, তারা সহিংসতা, লুটপাট, ধর্ষণ, এবং দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনে আতঙ্ক তৈরি করে রেখেছে।
লগি-বৈঠার রাজনীতি: ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার তাণ্ডব দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তারা প্রকাশ্যে বিরোধীদের পিটিয়ে হত্যা করে, যা রাজনীতির নামে সন্ত্রাসের নজির। আওয়ামী লীগের সেই রক্তমাখা দিন এখনো জনগণের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হত্যার হুমকি দিলেন আওয়ামী লীগ নেতা
বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে হত্যা করার হুমকি দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফরিদুল আলম।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) তার ওই বক্তব্যের একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার স্বৈরাচারি শাসনের অবসান ও তক্তাবদায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ ও অস্থিতিশীল। দেশে স্বৈরাচারের শাসন চলমান আছে, যেখানে জনগণের কথা উপেক্ষা করে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার, যার নেতৃত্বে রয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা, গত প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের শাসনকার্য চালিয়ে আসছে, কিন্তু এর শাসনকালের মধ্যেই দেশে গণতন্ত্রের কবর হয়েছে।
সরকারের তরফ থেকে নির্বাচনের কথা বলা হলেও, সেগুলো ছিল শুধুই এক ধরনের নাটক। গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ, সুষ্ঠু নির্বাচন, আর জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশ আজ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন। এক এক করে সরকার সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে ফেলেছে এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে।
