সচিবালয়ে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি সন্দেহজনক পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ড একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র হতে পারে, যেখানে কিছু অজ্ঞাত উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হতে পারে। ঘটনাটি সেই পোষা কুকুরের মৃত্যুর মাধ্যমে আরও সন্দেহজনক হয়ে উঠেছে। তবে, এর পাশাপাশি আরও একটি বড় প্রশ্ন উঠছে—এটা কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা, না কি এর পেছনে কোনো গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রয়েছে।
গণঅভ্যুত্থানের আগে কিছু আমলা স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনার পক্ষে স্লোগান দিয়েছে, যা স্পষ্টভাবে তাদের রাজনৈতিক পক্ষের প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ করে। এসব কর্মচারী আজও সচিবালয়ে চাকরি করছেন। আমার প্রশ্ন, যদি তারা এই ধরনের কার্যকলাপ চালিয়ে যান, তবে দেশের নিরাপত্তা কোথায় থাকবে? একদিকে তারা সরকারের অংশ, অন্যদিকে তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে। তাদের সচিবালয়ে থাকা দেশের ভবিষ্যৎ এবং নিরাপত্তার জন্য বড় এক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কীভাবে তারা দেশের স্বার্থে কাজ করবে, যখন তারা সন্ত্রাসী এজেন্ডার পক্ষে কাজ করছে? যদি সরকার এইসব অপকর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আমরা একটি বিপদজনক পরিস্থিতিতে পৌঁছাব।
