যত দ্রুত সম্ভব খুনি হাসিনার সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামীলীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্তত দুর্নীতি,গুম,খুন,বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড,অর্থ পাচার এই সমস্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কে কোন অবস্থাতেই নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়া যাবে না।
Tag: গুম
‘শহীদ মিনার থেকেই মুক্তির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক’
আন্দোলনরত সবাইকে শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।
স্বৈরাচার সরকার কি ‘মায়ের কান্না’ শুনছে?
‘গুম হওয়া মানুষের পরিবারগুলোর নীরব কান্না থেমে নেই। স্বজনের বেদনার্ত আওয়াজ আওয়ামী লীগের কানে ঢুকে না। এমনকি সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারো কর্ণকুহরে যেন এদের কান্নার শব্দ প্রবেশ করে না। হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলোর স্বজনেরা জানতেও পারেননি তারা এখন জীবিত না মৃত?
১০ বছরে গুম খুন অপহরণের শিকার ৩০ সাংবাদিক
রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায়ই সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। হত্যা, গুম, খুন ও অপহরণ করা হচ্ছে তাদের। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্যমতে, ১০ বছরে এ ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছেন ৩০ সাংবাদিক। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার হওয়ার নজির খুব কমই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাংবাদিক হত্যার বিচার ঝুলে যাচ্ছে দীর্ঘসূত্রতায়। শুধু গত এক দশকেই নয়, তার আগের হত্যাকাণ্ডগুলোরও বিচারের নজির মিলছে কম।
বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী: সুরক্ষার নামে সন্ত্রাস
বাংলাদেশের সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব এবং ডিজিএফআই আজ দেশের জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু। তারা জনগণের রক্ষক না হয়ে সরকারের স্বৈরাচারী শাসনের এক নিষ্ঠুর হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এই বাহিনী গুলোকে যদি আজকে দেশের নিরাপত্তাবাহিনী বলে মনে করা হয়, তাহলে সেটি একটি বড় ভুল হবে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা সরাসরি শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করেছে, যা দেশের গণতন্ত্রকে চরমভাবে অবজ্ঞা এবং অবহেলা করেছে। নির্বাচনী প্রতারণা, ভোটারদের উপর অত্যাচার, বিরোধীদের বাধা- এসব কর্মকাণ্ডে এই বাহিনী ছিল মূল অস্ত্র। ফলে জনগণের ভোটাধিকার সঠিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি, গণতন্ত্রের মৌলিক শর্তাবলী পুরোপুরি উপেক্ষিত হয়েছে। এই কারণে আজকের বাংলাদেশে মানুষ ভোটকেন্দ্রে যায় না, কারণ তারা জানে তাদের ভোট ডাকাতি হয়ে যায় বা তুচ্ছ করা হয়। এই সিস্টেম একেবারেই মানুষের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন করে।
সরকারের বিরোধীদের উপর সেনাবাহিনী, র্যাব, ডিজিএফআই ও পুলিশের অব্যাহত নির্যাতন একটি নিত্যদিনের বাস্তবতা। তাদের হাতে রাজনৈতিক বিরোধীরা হয়রানি, গুম, হত্যা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে দমন করা হচ্ছে। পুলিশ যা হওয়া উচিত ছিল জনগণের সেবক, আজ তারা সরকারের স্বৈরাচারী শক্তির দাস হয়ে পড়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার, নির্যাতন, জিম্মি করা, তাদের পরিবারের ওপর অত্যাচার চালানো এবং বিচার ব্যবস্থাকে প্রতিহত করা সরকারের এক পরিকল্পিত নীতি। সাধারণ মানুষের কাছে পুলিশ বাহিনী এখন আতঙ্কের কারণ, যেখানে কোনো ধরনের মতপ্রকাশ নিরাপদ নয়। এর ফলে মানুষের মনে ভয় ও অনাস্থা বিরাজ করছে, যা একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশের জন্য বড় বিপদ।
