বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণআন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম, সব ক্ষেত্রেই ডাকসু নেতারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রতিষ্ঠান কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের নামে ছাত্রলীগের একচেটিয়া দখল, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও জালিয়াতির কারণে ডাকসু তার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছিল। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্য দিয়ে ছাত্রসমাজের মধ্যে আবারও আলোচনার ঝড় উঠেছে। প্রশ্ন উঠছে, এ নির্বাচন কি সত্যিই শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর ফিরিয়ে আনবে, নাকি এটি আরেকটি প্রহসন হয়ে যাবে?
Tag: ডাকসু
হয়রানির উদ্দেশ্যে নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ভিন্নমত দমন ও সরকার বিরোধীদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করতে এবং হয়রানির উদ্দেশ্যেই গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
ভিপি নুরের ওপর ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের হামলা
ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রশাসনের প্রশ্রয়ে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হোসেন, মশিউর রহমানসহ অন্তত ৪০ জনের উপর হামলা হয়েছে। কারও পা ভেঙে গেছে, নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে, বমি করছে, বুকের হাড় ভেঙে গেছে। অনেকে আইসিইউতে রয়েছে। অনেকের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিয়ে আমরা শঙ্কায় আছি।
ভিপি প্রার্থী নূরের উপর ছাত্রলীগের হামলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নূরের উপর ছাত্রলীগের হামলা।
আজ সোমবার ‘রোকেয়া হলে ছাত্রলীগ নেত্রীরা কোটা আন্দোলনের নুরু ভাইকে মেরে আহত করেছে। দুপুর ১২টার দিকে বেগম রোকেয়া হলে হামলার শিকার হন নূর। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে। সকাল ৮টা থেকে ডাকসু নির্বাচন শুরু হলেও রোকেয়া হলে এক ঘণ্টা দেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এসময় তিনটি ব্যালট বাক্স সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে রোকেয়া হলে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভোটে কারচুপি করেও নুরের জয় থামাতে পারবেন না।
ছবিঃ সংগ্রহীত
‘ডাকসু’ নির্বাচন নুরকে ভোট দিন
আগামীকাল সোমবার ‘ডাকসু’ নির্বাচন। ভোটের পরিবেশ ভালো না, আমরা শুনেছি ছাত্রলীগের কর্মীদের নির্দেশনা দেয়া আছে। প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীদের জোর করে ভোট দেয়ার পর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করা হবে, যাতে সাধারণ ভোটারা ভোটদানে যথেষ্ট সময় না পায়।
আশা করি, যেহেতু দীর্ঘ ২৮ বছর পর নির্বাচন হচ্ছে, সব রকম ষড়যন্ত্র ধ্বংস করে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী নুরুল হক নুরকে জয়ী করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অধিকারে কাজ করার সুযোগ দিবেন।
