CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

ড. ইউনুস এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আলোচনায় এসেছে। তবে, একাধিক প্রশ্ন উঠেছে—এই দল কি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সম্পর্কিত? অথবা ড. ইউনূসের কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এই দলের পেছনে রয়েছে? বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত জটিল হয়ে উঠছে, এবং এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে— প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম কেন এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি)-এর আহ্বায়ক নাহিদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান? এই বিষয়টি সরকারের নিরপেক্ষতা ও রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে বেশ কিছু উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ড. ইউনূস, যিনি শান্তিতে নোবেল বিজয়ী, অর্থনীতিবিদ, গ্রামীণ ব্যাংক এবং সামাজিক ব্যবসার ধারণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। যদিও তিনি সরাসরি রাজনীতি থেকে দূরে থাকেন, কিন্তু তার সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি অনেক রাজনীতিকের কাছে প্রভাবিত। তবে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের পক্ষ থেকে নাহিদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়ার বিষয়টি সন্দেহজনক। এটি এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করছে, যেখানে সরকার ও এনসিপির মধ্যে আলোকিত সম্পর্ক বা অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়ার ইঙ্গিত থাকতে পারে, যা পরোক্ষভাবে সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

নিষিদ্ধ উগ্র সংগঠন হিজবুত তাহেরী কীভাবে প্রকাশ্যে সমাবেশ করে?

বাংলাদেশে হিজবুত তাহেরী একটি নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী সংগঠন, যা ইসলামের নামে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছে। সরকারিভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও, এরা প্রকাশ্যে সমাবেশ, মিছিল এবং বক্তৃতা দিতে পারছে—এটি আমাদের রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার বড় ব্যর্থতার প্রমাণ। প্রশ্ন হলো, একটি নিষিদ্ধ সংগঠন কীভাবে এত সহজে মাঠে নেমে আসতে পারে? কারা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে? কেন প্রশাসন চোখ বন্ধ করে রেখেছে?

অন্তবর্তীকালীন সরকার যখন রাজনৈতিক বিরোধীদের কঠোর দমননীতি গ্রহণ করে, তখন প্রশ্ন ওঠে—হিজবুত তাহেরীর মতো উগ্র সংগঠন কীভাবে এত স্বাধীনতা পাচ্ছে? নিষিদ্ধ সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও, তারা কীভাবে বড় বড় সমাবেশ আয়োজন করে, মিছিল বের করে এবং বক্তৃতা দেয়? এর পেছনে অবশ্যই সরকার ও প্রশাসনিক দুর্বলতা বা সমর্থন রয়েছে।