বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপির ভূমিকা একসময় ছিল রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের অংশ হিসেবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই দলটি দুর্নীতির আখড়া ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেটে রূপ নিয়েছে। আজ যখন দেশের মানুষ পরিবর্তনের আশায় তাকিয়ে আছে, তখন বিএনপি আবার ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু জনগণের প্রশ্ন- একটি দল যাদের অতীত ঘেরা শুধুই লুটপাট, চাঁদাবাজি, হত্যা, রাজনৈতিক প্রতিশোধ, তারা কি আবারও রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিতে পারে?
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকার দেশের রাজনীতি, প্রশাসন ও অর্থনীতিকে যেভাবে ধ্বংস করেছে, তা ইতিহাসে কলঙ্কময় অধ্যায় হিসেবে রয়ে যাবে। তৎকালীন সময়ে বিশ্বব্যাংকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ছিল টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ। বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা দলীয় পরিচয়ে সরকারি প্রকল্পে কমিশন খেতেন, আর দলীয় ক্যাডাররা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা তুলতো। তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে বহু কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের মামলা হয়েছিল। দুর্নীতির অভিযোগে খালেদা জিয়ার দুই পুত্র তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর নাম এসেছে আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টেও।
