বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো: শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর দায়িত্ব পালন নিয়ে জনগনের অনুভূতি গভীর হতাশা ও ক্রোধের সঙ্গে জড়িত। রাষ্ট্রপতি পদ শুধুই একটি মর্যাদাপূর্ণ প্রতীক নয়; এটি দেশের সংবিধান রক্ষাকারী, জনগণের আস্থা ও ন্যায়ের প্রতীক। কিন্তু চুপ্পুর কর্মকাণ্ড আমাদের স্পষ্টভাবে দেখিয়েছে যে, আমাদের দেশের শীর্ষ পর্যায়ে থাকা অনেকেই দায়িত্বের সঙ্গে দায়িত্বশীলতা বজায় রাখতে ব্যর্থ। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র আন্দোলনের সময় যখন তরুণরা স্বচ্ছ সংলাপ ও ন্যায়সঙ্গত সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের দিকে তাকিয়েছিল, সেই সময়ে রাষ্ট্রপতির নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের চোখে একেবারেই অবহেলাজনক ও দুঃখজনক মনে হয়েছে। একজন রাষ্ট্রপতির জন্য দায়িত্ব শুধু পদধারণা নয়; তার প্রকৃত কর্তব্য হলো দেশের মানুষকে নিরাপদ, সুষ্ঠু ও সংবিধানসম্মত পরিবেশে জীবনযাপন নিশ্চিত করা। কিন্তু চুপ্পুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, রাজনৈতিক স্বার্থ, আওয়ামীলীগের প্রতি পার্টি আনুগত্য এবং প্রশাসনিক পক্ষপাত তার সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করেছে। এই ধরনের আচরণ শুধুমাত্র নৈতিক ব্যর্থতা নয়, বরং গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকেও আঘাত করে। আমরা তরুণ প্রজন্ম, দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্বে, জুলাই গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির এমন নীরবতা দেখে হতাশ হয়েছি এবং আমাদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির প্রতি আস্থা কমে যায়। একজন রাষ্ট্রনেতা কখনোই জনগণের স্বাভাবিক আশা ও মৌলিক অধিকারকে অবজ্ঞা করার সুযোগ দিতে পারে না, এবং চুপ্পুর পদক্ষেপ এই মৌলিক দায়িত্বে ব্যর্থতার প্রতিফলন। রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর এই নীরবতা ও দোষারোপহীন অবস্থান দেশবাসীর মধ্যে অবিশ্বাস ও হতাশার বীজ বুনেছে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
Tag: স্বৈরাচার
আইনের শাসন নেই, নির্যাতনের শিকার হচ্ছে নারী ও শিশু!
বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। শুধুমাত্র ফেব্রুয়ারি মাসেই ১৮৯ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে—এটি আমাদের সমাজের ভয়ংকর বাস্তবতা। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব, কিন্তু বাস্তবতা হলো, সরকার এই দায়িত্ব পালনে বারবার ব্যর্থ হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতনের পরিসংখ্যান কেবল সংখ্যা নয়, বরং এটি প্রতিটি নির্যাতিত মানুষের ব্যথার গল্প, ভাঙা স্বপ্ন ও ন্যায়বিচার না পাওয়ার আর্তনাদ। বাংলাদেশে ধর্ষণ, পারিবারিক সহিংসতা, যৌন হয়রানি, শিশু নির্যাতন ও হত্যা বেড়েই চলেছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপরাধীরা রাজনৈতিক আশ্রয়ে থেকে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যায়, ফলে অপরাধের মাত্রা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ফেব্রুয়ারি মাসের ১৮৯ জন নির্যাতিত নারী ও শিশুর মধ্যে: ধর্ষণের শিকার হয়েছে বহু নারী ও কিশোরী। পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়ে অনেক নারী আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। শিশুদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে।
ফ্যাসিবাদের দোসররা উপদেষ্টা পরিষদে কেন? সরকারের উদ্দেশ্য কী?
বিগত সরকার মুজিববাদকে পুঁজি করে একটি ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই জালেম স্বৈরশাসকগোষ্ঠীর পতন নিশ্চিত হয়। ফারুকী ও বশিরসহ একাধিক উপদেষ্টা সেই পতিত আওয়ামী সরকারের দোসর। সেখ বশির উদ্দীন সরাসরি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত। তাকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা শহীদ ভাইদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি। মোস্তফা ফারুকী বিভিন্ন সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা উপায়ে শেখ হাসিনা সরকারের প্রশংসা করেছেন, সমর্থন জুগিয়েছেন। এ ছাড়া সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ সাবেক তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকসহ ফ্যাসিস্ট সরকারের একাধিক নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন ফারুকী।
সাবেক মন্ত্রীর কোটি কোটি ডলার
ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী (জাভেদ) যুক্তরাজ্যে ৩৬০টি বাড়ির মালিক, যার অধিকাংশই বার্কলি গ্রুপের মতো শীর্ষস্থানীয় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে কেনা। এসব বাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য ৩২ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় ৩৮২৪ কোটি টাকার বেশি। এ ছাড়াও তাঁর যুক্তরাষ্ট্র ও দুবাইয়েও সম্পত্তি রয়েছে।
আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করা হোক
যত দ্রুত সম্ভব খুনি হাসিনার সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামীলীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্তত দুর্নীতি,গুম,খুন,বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড,অর্থ পাচার এই সমস্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কে কোন অবস্থাতেই নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়া যাবে না।
