যত দ্রুত সম্ভব খুনি হাসিনার সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামীলীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। অন্তত দুর্নীতি,গুম,খুন,বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড,অর্থ পাচার এই সমস্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কে কোন অবস্থাতেই নির্বাচনে অংশ নিতে দেয়া যাবে না।
Tag: Awamileague
আওয়ামী লীগ: জন্মগতভাবে সন্ত্রাসী দল
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চূড়ান্ত উদাহরণ। এ দলের ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়, তারা সহিংসতা, লুটপাট, ধর্ষণ, এবং দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনে আতঙ্ক তৈরি করে রেখেছে।
লগি-বৈঠার রাজনীতি: ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার তাণ্ডব দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তারা প্রকাশ্যে বিরোধীদের পিটিয়ে হত্যা করে, যা রাজনীতির নামে সন্ত্রাসের নজির। আওয়ামী লীগের সেই রক্তমাখা দিন এখনো জনগণের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার স্বৈরাচারি শাসনের অবসান ও তক্তাবদায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ ও অস্থিতিশীল। দেশে স্বৈরাচারের শাসন চলমান আছে, যেখানে জনগণের কথা উপেক্ষা করে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার, যার নেতৃত্বে রয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা, গত প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের শাসনকার্য চালিয়ে আসছে, কিন্তু এর শাসনকালের মধ্যেই দেশে গণতন্ত্রের কবর হয়েছে।
সরকারের তরফ থেকে নির্বাচনের কথা বলা হলেও, সেগুলো ছিল শুধুই এক ধরনের নাটক। গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ, সুষ্ঠু নির্বাচন, আর জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশ আজ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন। এক এক করে সরকার সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে ফেলেছে এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে।
২৮ অক্টোবর: আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তাণ্ডব – এক নৃশংস অধ্যায়
বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৮ অক্টোবর ২০০৬ এক ভয়ঙ্কর কালো দিন। এদিন আওয়ামী লীগের সমর্থকরা প্রকাশ্যে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে নৃশংসতার যে নজির স্থাপন করেছিল, তা শুধুমাত্র রাজনৈতিক সহিংসতার নয়, বরং মানবিকতার চরম অবমাননার উদাহরণ। এই ঘটনা আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী চরিত্রকে উন্মোচিত করে, যা আজও দেশের মানুষের মনে আতঙ্ক হয়ে রয়েছে।
২০০৬ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে, ক্ষমতায় যাওয়ার লালসায় উন্মত্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা লগি-বৈঠা নিয়ে রাজধানীর পল্টন মোড়ে সাধারণ মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। যারা তাদের বিরোধিতা করছিল, তাদের রক্তাক্ত করা হয়, এমনকি লাশের ওপর নাচানাচি করে অমানবিকতার চূড়ান্ত রূপ দেখানো হয়। এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় প্রচারিত হলে বিশ্ববাসী হতবাক হয়ে যায়।
