CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

আওয়ামী লীগ: জন্মগতভাবে সন্ত্রাসী দল

আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চূড়ান্ত উদাহরণ। এ দলের ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়, তারা সহিংসতা, লুটপাট, ধর্ষণ, এবং দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনে আতঙ্ক তৈরি করে রেখেছে।

লগি-বৈঠার রাজনীতি: ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার তাণ্ডব দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তারা প্রকাশ্যে বিরোধীদের পিটিয়ে হত্যা করে, যা রাজনীতির নামে সন্ত্রাসের নজির। আওয়ামী লীগের সেই রক্তমাখা দিন এখনো জনগণের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে।

ধর্ষণ এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি: আওয়ামী শাসনামলে ধর্ষণ যেন একটি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তাদের নেতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত এই অপরাধে জড়িত, কিন্তু বিচার না হওয়ায় তারা আরও উৎসাহিত হয়। গণধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের পরও আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অপরাধীরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়ায়।

দুর্নীতি আর লুটপাটের অভয়ারণ্য: সরকারি প্রকল্প থেকে টেন্ডারবাজি, ব্যাংক লুট, কিংবা রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরি—সবকিছুতেই আওয়ামী লীগ নেতারা একেকজন ‘মাস্টারমাইন্ড’। দেশের সাধারণ মানুষ যখন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জর্জরিত, তখন আওয়ামী নেতারা বিদেশে বিলাসবহুল জীবন কাটাচ্ছে।

গণতন্ত্রের কবর: আওয়ামী লীগ মূলত গণতন্ত্র ধ্বংসের কারিগর। নির্বাচন মানেই তাদের জন্য ভোট ডাকাতি, বিরোধীদের ওপর হামলা, এবং জনগণের কণ্ঠরোধ। ১৯৭৩, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন ছিল তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য একটি প্রহসন।