বাংলাদেশে হিজবুত তাহেরী একটি নিষিদ্ধ উগ্রপন্থী সংগঠন, যা ইসলামের নামে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা বলে আসছে। সরকারিভাবে নিষিদ্ধ থাকলেও, এরা প্রকাশ্যে সমাবেশ, মিছিল এবং বক্তৃতা দিতে পারছে—এটি আমাদের রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার বড় ব্যর্থতার প্রমাণ। প্রশ্ন হলো, একটি নিষিদ্ধ সংগঠন কীভাবে এত সহজে মাঠে নেমে আসতে পারে? কারা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে? কেন প্রশাসন চোখ বন্ধ করে রেখেছে?
অন্তবর্তীকালীন সরকার যখন রাজনৈতিক বিরোধীদের কঠোর দমননীতি গ্রহণ করে, তখন প্রশ্ন ওঠে—হিজবুত তাহেরীর মতো উগ্র সংগঠন কীভাবে এত স্বাধীনতা পাচ্ছে? নিষিদ্ধ সংগঠন হওয়া সত্ত্বেও, তারা কীভাবে বড় বড় সমাবেশ আয়োজন করে, মিছিল বের করে এবং বক্তৃতা দেয়? এর পেছনে অবশ্যই সরকার ও প্রশাসনিক দুর্বলতা বা সমর্থন রয়েছে।
বাংলাদেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের স্বার্থে উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে। অনেক ক্ষেত্রে এই সংগঠনগুলো রাজনৈতিক দলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হিজবুত তাহেরী ধর্মের নামে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করে। তারা ইসলামের নামে খিলাফত প্রতিষ্ঠার কথা বলে ধর্মপ্রাণ মানুষকে নিজেদের দিকে আকৃষ্ট করে। অনেক মানুষ না বুঝেই তাদের সমাবেশে যোগ দেয়, যা সংগঠনটিকে আরও শক্তিশালী করে। নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও হিজবুত তাহেরী সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইন মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। তারা ফেসবুক, ইউটিউব ও বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপে গোপন নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির বাইরে রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের প্রশাসন যদি সত্যিই চায়, তাহলে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রশাসনের কিছু দুর্নীতিবাজ সদস্য অর্থ ও রাজনৈতিক চাপের কারণে এসব সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণ করে না।
সরকারের দায়িত্ব কী?
হিজবুত তাহেরীসহ সব উগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের সমাবেশ ও প্রচারণা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে। যেসব রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ব্যক্তি তাদের সহায়তা দিচ্ছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের প্রচারণা কঠোরভাবে মনিটর ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে হবে, যাতে তারা উগ্রবাদীদের ফাঁদে না পড়ে।
বাংলাদেশের জন্য উগ্রবাদ একটি বড় হুমকি। যদি নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে তারা ভবিষ্যতে আরও বড় বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। সরকার ও প্রশাসন যদি হিজবুত তাহেরীর মতো সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এটা স্পষ্ট যে, নিষেধাজ্ঞা কেবল কাগজে-কলমেই আছে, বাস্তবে নয়। সরকার কি সত্যিই উগ্রবাদ দমন করতে চায়, নাকি রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের কারণে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর প্রতি নীরব রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর জনগণকে খুঁজতে হবে।

1 win сайт https://www.1win7013.ru .
হিজবুত তাহরীকে যারা সন্ত্রাসী সংগঠন বলে তারা আরো বড় সন্ত্রাস ও ইসলামের দুশমন। আপনাদের মতো ইমলাম বিরোধীদের এই দেশের মাটিতেই বিচার হবে ইন শা আল্লাহ।
এই সরকার আসলেই সন্ত্রাসীদের মদদদাতা তা গত কয়েক মাসেই দেশের অবস্থা দেখে বুঝা যাচ্ছে। ড ইউনুসের উচিত দায়িত্ব পালন করতে না পারলে অতি দ্রুতই নির্বাচন দিয়ে সরে যাওয়া।
সরকারের কয়েক মাস হলো এটা আওয়ামীলীগের ষড়যন্ত্র হতেই পারে। ড ইউনুসই বেস্ট আশা করি এই সরকার আরো কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলে দেশে উগ্ররা আর থাকবে না। ড ইউনুসই আমার যথেষ্ট।