CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

নুরুল হক নুরুর উপর যৌথ বাহিনীর হামলা কেন?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নাগরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক -আমার নেতা বিপি নুরুল হক নুরুর উপর যৌথ বাহিনী দ্বারা হামলা। এই ঘটনা কেবল তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিপন্ন করেনি, বরং পুরো রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল ও আতঙ্কময় করেছে। যৌথ বাহিনী, যার মূল দায়িত্ব দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, সেই বাহিনী নিজেই রাজনৈতিক নেতৃত্বের উপর হামলার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে -এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আইন প্রণয়ন ও সংবিধান অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক নেতা বা নাগরিককে নির্দিষ্ট কোনো অপরাধ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা যায় না। এই ধরনের ঘটনা জনগণের চোখে সরকারের নীরবতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারকে প্রমাণ করছে।

বর্তমান সরকারও এই ঘটনার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রশাসনকে সক্রিয়ভাবে তদন্ত করা উচিত এবং দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। কিন্তু সরকারের অদক্ষতা এবং নীরবতা জাপা ও যৌথ বাহিনীকে জনগণের উপর আরও সাহসী আক্রমণ চালাতে উৎসাহিত করছে। জনগণ এখন প্রশ্ন করছে -সরকার কি সত্যিই জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম, নাকি তারা রাজনৈতিক স্বার্থে নীরব? এই নীরবতা, রাজনৈতিক সুবিধা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার একত্রিত হয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তার সংকট তৈরি করছে। বাংলাদেশের মানুষ আশা করে, রাজনৈতিক দলগুলো, বিশেষ করে জাপা, তাদের গনতান্ত্রিক দায়িত্ব পালন করতে হবে, যৌথ বাহিনী ও ক্ষমতাসীন সরকারের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে এবং রাজনৈতিক নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে এই সরকারের হুমকির বিরুদ্ধে জনগণকে আরও প্রতিরোধ করতে হবে।