CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

স্বৈরাচার হাসিনা ও বাংলাদেশের মৃত গণতন্ত্র

বাঁচার অধিকার, মতপ্রকাশের অধিকার এবং দেশের ভাগ্য নির্ধারণে নাগরিকদের মৌলিক অধিকারকে কবরে পাঠিয়ে যে বাঁচা -তাতে সভ্য ভাবে বাঁচার কাজটি হয় না। সেটি নিরেট বর্বর যুগের অসভ্যতা। সে অসভ্যতা তাদের হাতেই প্রচণ্ড রূপ লাভ করে যাদের যুদ্ধের মূল লক্ষ্য জনগণের অধিকার হনন। বাংলাদেশের মাটিতে জনগণের অধিকার নির্মূলের যুদ্ধটি প্রথম শুরু করেন শেখ মুজিব। সে যুদ্ধে তিনি বিজয় লাভ করেন একদলীয় বাকশালের প্রতিষ্ঠা ও বহুদলীয় গণতন্ত্রকে কবরে পাঠানোর মধ্য দিয়ে।

গণতন্ত্র বলতে আওয়ামী লীগ যা বুঝে তা হলো ১৯৭৩, ২০১৪ এবং ২০১৮’য়ের ভোট ডাকাতির নির্বাচন। এসব নির্বাচনে জনগণের স্বাধীন রায় দেয়ার অধিকার যেমন দেয়া হয়নি, তেমনি বিরোধীদের জন্য সংসদে কোন স্থানও রাখা হয়নি। শেখ মুজিবের মৃত্যু ঘটেছে। কিন্তু গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের যুদ্ধ থামেনি। বরং সে যুদ্ধের ধারাবাহিকতায় বাকশালী চেতনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ শুধু জীবিতই নয়, এক বিজয়ী আদর্শে পরিণত হয়েছে। চলমান এ যুদ্ধে তাদের প্রতিপক্ষ হলো জনগণ। তাদের লক্ষ্য স্রেফ দেশকে অধিকৃত রাখা নয়, জনগণকে পরাজিত এবং নিরস্ত্র রাখাও। আরো লক্ষ্য হলো, তাদের বিদেশী  প্রভু ভারতকে খুশি রাখা। স্বৈরশাসকগণ জানে, জনগণের মোক্ষম  অস্ত্রটি ঢাল-তলোয়ার বা গোলাবারুদ নয়, সেটি হলো ভোট। সে ভোট দিয়েই জনগণ তাদের ইচ্ছামত কাউকে ক্ষমতায় বসায়, কাউকে নামায় এবং কাউকে আস্তাকুঁড়ে ফেলে। গণতন্ত্রে জনগণের শক্তি তাই বিশাল। এ শক্তিবলে বড় বড় স্বৈরশাসককে জনগণ অতীতে আস্তাকুঁড়ে ফেলেছে। এজন্যই প্রতিটি স্বৈরশাসক গণতন্ত্রকে ভয় পায়। তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতাচ্যুৎ হওয়া থেকে বাঁচতে চায়। তাদের লক্ষ্য তাই জনগণের হাত থেকে ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া। ফলে  স্বৈরশাসক মাত্রই গণতন্ত্রের চিরশত্রু। স্বৈরতন্ত্র ও গণতন্ত্র –এ দুটি কখনোই একই ভূমিতে একত্রে বাঁচে না; একটির বাঁচা মানেই অপরটির মৃত্যু। জনগণের ভোটের অধিকার, মিছিল-মিটিং করার অধিকার ও মৌলিক মানবিক অধীকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও নৃশংস সহিংসতা ছাড়া স্বৈরশাসনের মৃত্যু তাই অনিবার্য়। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আওয়ামী বাকশালীদের লাগাতর ষড়যন্ত্র ও যুদ্ধের মূল কারণ তো এটিই।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে তিনবার কবরে পাঠিয়েছে। প্রথমে কবরে পাঠানোর কাজটি করেন শেখ মুজিব নিজে; সেটি সকল বিরোধী দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশালী স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। লক্ষ্যণীয় হলো, মুজিবের হাতে গণতন্ত্র হত্যার সে গণবিরোধী গর্হিত কর্মটি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কাছে কোনদিনই নিন্দনীয় গণ্য হয়নি। বরং তাদের কাছে গণতন্ত্র হত্যার সে স্বৈরাচারি নায়ক গণ্য হয় শ্রেষ্ঠ আদর্শ রূপে, এমনকি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী রূপে! ফলে এতে প্রমান মেলে,গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে অবস্থানটি স্রেফ মুজিবের একার ছিল না, সেটিই ছিল আওয়ামী লীগের দলগণ অবস্থান। দলটি দ্বিতীয়বার গণতন্ত্র হত্যার কাজটি করে ১৯৮২ সালে; সেটি নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে জেনারেল এরশাদের সামরিক অভ্যুত্থানকে সমর্থণের মধ্য দিয়ে। লক্ষ্যণীয় হলো, সামরিক অভ্যুত্থানকে নিন্দা করাই বিশ্বের তাবত গণতান্ত্রিক শক্তির রীতি। কারণ, সামরিক অভ্যুত্থানে কোন দেশেই গণতন্ত্র বাঁচেনি, বরং সামরিক অভ্যুত্থানই হলো দেশে দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠার মূল হাতিয়ার। ফলে সামরিক জান্তাদের হাতে গণতন্ত্র হত্যার সে বর্বর কাজটিকে নিন্দার সামর্থ্য না থাকলে তাকে গণতন্ত্রী বলাটি মূলতঃ গণতন্ত্রের সাথে দুশমনি। গণতান্ত্রিক চেতনার মূল্যায়নে এটি হলো লিটমাস টেস্ট। কিন্তু সে টেস্টে আওয়ামী লীগ ফেল করেছে। কারণ, স্বৈরাচারি এরশাদের সামরিক অভ্যুত্থানকে আওয়ামী লীগ নিন্দা না করে বরং সমর্থন করেছে। এবং আজও গণতন্ত্র-হত্যাকারি স্বৈরাচারি এরশাদই হলো শেখ হাসিনার ঘনিষ্ট রাজনৈতিক মিত্র। এ হলো আওয়ামী লীগের স্বৈরাচার প্রীতির নমুনা। গণতন্ত্রকে তৃতীয়বার এবং সবচেয়ে বেশী কালের জন্য কবরে পাঠিয়েছেন দলটির বর্তমান নেত্রী শেখ হাসিনা। সেটি ২০১৪ সালে ভোট-ডাকাতি ও ভোটাবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে। জনগণের ভোটের ভাণ্ডারে শেখ হাসিনা পুণরায় ডাকাতি করে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরে। ডাকাতগণ কখনোই নিজেদের নৃশংস ডাকাতি নিয়ে লজ্জাবোধ করে না। বরং প্রচণ্ড গর্ববোধ করে সফল ডাকাতির। এজন্যই হাসিনার মুখে সব সময়ই খুশি খুশি তৃপ্তির হাঁসি। রায় দানের অধিকার ছিনতাইয়ের পর জনগণের কাজ এখন হাসিনার ফেরেশতা সুলভ কথা এবং হাসির মহড়া দেখা। এটিই তো স্বৈরাচারের রীতি। বাংলাদেশে নবী-রাসূলকে নিন্দা করলে শাস্তি হয় না। কিন্তু হাসিনার নিন্দা করলে জেলে যেতে হয়।

সামরিক অভ্যুত্থানে যেমন গণতন্ত্র বাঁচে না, তেমনি ভোট-ডাকাতিতেও গণতন্ত্র বাঁচে না। ফলে কেয়ার টেকার গভর্নমেন্টের হাত ধরে যে গণতন্ত্র কবর থেকে ফিরে এসেছিল -সেটি আবার হাসিনার হাতে নিহত ও কবরে শায়ীত। তবে ভোট ডাকাতি ও গণতন্ত্র হত্যাই শেখ হাসিনার একমাত্র অপরাধ নয়। তিনি তাঁর পিতার বাকশালকে প্রতিষ্ঠা করেছেন এক নতুন আঙ্গিকে। শেখ মুজিব সকল বিরোধী দলকে বিলুপ্ত করেছিলেন এবং নিষিদ্ধ করেছিলেন সকল বিরোধী দলীয় পত্রপত্রিকা। শেখ হাসিনা বিরোধী দলগুলিকে বিলুপ্ত না করে বিলুপ্ত করেছেন বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মৌলিক মানবিক অধিকার। কেড়ে নিয়েছেন সভাসমিতি, মিছিল, জনসংযোগের অধিকার। নিষিদ্ধ করেছেন আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলাম টিভি। ফলে বিরোধীদলগুলো নামে বাঁচলেও বিলুপ্ত হয়েছে সংসদ, রাজপথ ও মিডিয়া থেকে। গণতন্ত্র নির্মূলে শেখ হাসিনা তাঁর পিতা থেকেও বহু ধাপ এগিয়ে গেছেন। বিরোধী দলের মিটিংয়ে গুলি চালাতে ও বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের হত্যায় শেখ মুজিব কখনো সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করেননি। সে কাজে তাঁর ছিল একটি মাত্র বাহিনী, সেটির নাম ছিল রক্ষিবাহিনী। কিন্তু শেখ হাসিনা রক্ষি বাহিনী না গড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবী, পুলিশ ও RAB (রাপিড আকশন ব্যাটিলন)কে রক্ষিবাহিনীতে পরিণত করেছেন। ২০১৩ সালের ৫ই মে শাপলা চত্ত্বরে হিফাজতে ইসলামের বিরুদ্ধে গণহত্যায় গোলাবারুদ ও ভারী মেশিন গান নিয়ে সাত হাজারের বেশী সশস্ত্র সেপাই যোগ দিয়েছিল। তারা এসেছিল উপরুক্ত চারটি বাহিনী থেকে।

জনগণের ভোটাধীকারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার ঘৃণা কতটা তীব্র সেটি বুঝা যায় ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি এবং ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে সংসদের ১৫৩টি সিটে তিনি ভোটকেন্দ্র খোলার প্রয়োজন বোধ করেননি। অপর দিকে ২০১৮ সালের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র খোলা হলেও ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের কাজটি পূর্বের রাতেই সমাধা করা হয়। ফলে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট না দিয়েই ভোটারদের ফিরে আসতে। মানব ইতিহাসে গণতন্ত্র হত্যার এ এক নয়া রেকর্ড। ঘৃনা সব সময়ই ঘৃনার জন্ম দেয়। গণতন্ত্রের প্রতি শেখ হাসিনার মনে যে ঘৃণা তা জনগণের মনে প্রচণ্ড ভাবে জন্ম দিয়েছে তাঁর স্বৈর শাসনের বিরুদ্ধে ঘৃণা। সে ঘৃণার তীব্র প্রকাশ ঘটেছিল তার আয়োজিত ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কট করার মধ্য দিয়ে। ফলে ২০১৪ সালের নির্বাচনে শতকরা ৫ ভাগ ভোটারও ভোট দেয়নি।

নির্বাচনের লক্ষ্য তো জনগণের রায় নেয়া। সেটি অর্জিত না হলে কি তাকে নির্বাচন বলা যায়? বিশ্বের আর কোন দেশে কোন কালেই কি এরূপ ভোটারহীন নির্বাচন এবং ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের নির্বাচন হয়েছে? অথচ শেখ হাসিনা তো তাতেই খুশি। শেখ হাসিনার লক্ষ্য ছিল তাঁর দলের বিজয়, নির্বাচন কতটা সুষ্ঠ বা নিরপেক্ষ হলো এবং জনগণ তাতে কতটা অংশ নিল –তা নিয়ে তাঁর সামান্যতম আগ্রহ ছিল না। এ হলো তাঁর গণতন্ত্রের নমুনা। গণতন্ত্র হত্যায় আওয়ামী লীগ এভাবে স্বৈরাচারি এরশাদের চেয়েও বহুধাপ নিচে নেমেছে। ভোটারগণ তো তখনই ভোটকেন্দ্রে আসে যখন নির্বাচনে বিরোধীদল অংশ নেয়, নির্বাচনে প্রতিযোগিতা হয় এবং তারা নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর বিজয়ে সম্ভাবনা দেখে। কিন্তু যে নির্বাচনের পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য হলো, স্রেফ সরকারি দলকে যে কোন রূপে বিজয়ী করা –সে নির্বাচনে জনগণ ভোটকেন্দ্রে আসবে কেন? এজন্যই স্বৈরশাসকের আয়োজিত নির্বাচনগুলি নিতান্তই প্রহসন ও গণতন্ত্রের সাথে মশকরা ভিন্ন অন্য কিছু নয়।

63 comments on “স্বৈরাচার হাসিনা ও বাংলাদেশের মৃত গণতন্ত্র”

ধন্যবাদ সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য।

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি পোষ্টটি সেয়ার করে বাংলাদেশের গনতন্ত্রকামী জনগনকে সঠিক ইতিহাস পড়ার সুযোগ দিবেন। ধন্যবাদ

মাফিয়া আওয়ামিলীগ সরকার। আগামী জাতীয় নির্বাচন আমরা বাংলাদেশের জনগন তত্তাবধায়ক সরকারের অধীনে চাই।

স্বৈরাচার সরকারের পত হওয়া সময়ের ব্যাপার। সারা বিশ্বে কোন স্বৈরাচার শাসক ঠিকতে পারেনি হাসিনাও পারবে না।

সাহস থাকলে পালিয়ে না থেকে প্রকাশ্যে এসে কথা বলুন। মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য দিয়ে শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা কমাতে পারবেন না।

Ami share diyese, apnara jara porchen shobai share diben plzzzz. Hasina hotau desh bachau.

Thank you Maidul. Allah apnake nek hayat dan koruk. Ebabei voy na kore shotto tule dorben sharabissher shamne.

পতন চাই, পতন চাই, হাসিনা পতন চাই।

ধন্যবাদ ভাই। শেখ হাসিনার অবস্থা তার বাবার মতোই হবে।

আপনি যে আওয়ামীলীগের অপশাসন, দুর্নীতি নিয়ে কথা লিখেছেন, তা অনেকের জন্য চোখ খুলে দেওয়ার মতো। এরকম আরও পোস্ট চাই!

এটা খুব দুঃখজনক যে আপনি একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এমন ব্লগ লিখছেন। আপনার মতো একজন সচেতন ব্লগারের থেকে এটা আশা করিনি।

আপনার মতামত অনেকটা একপেশে এবং এতে কিছু বিষয় উপেক্ষিত হয়েছে।

বাংলাদেশের জনগন হাসিনাকে কখনোই ক্ষমা করবে না। ইন শা আল্লাহ এই দেশের মাটিতেই ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিচার হবে সেদিন আর খুব বেশিদিন দুরে নয়।

ধন্যবাদ। কিছু মনে না করলে শেয়ার দিচ্ছি।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও ব্যার্থ প্রধানমন্ত্রী।

আমার ভোট আমি দেবো যাকে ইচ্ছা তাকেই দিবো কিন্তু হাসিনা সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রলীগ আমার ভোটও দিয়েছে। আমি ভোট দিতে পারিনি। আমার ভোটের অধিকার চাই।

বিএনপি, জাতীয় পার্টি কে নিয়েও লিখেন। একপেশে লিখে নিজেকে দালাল প্রমাণিত করবেন না। আজ বুঝলাম আপনি আওয়ামী বিরোধীদের দালাল।

স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে এক হয়ে দাঁড়াতে হবে, কারণ জনগণের কণ্ঠ রোধ করা রাষ্ট্রের ক্ষতি ছাড়া আর কিছু নয়।

হাসিনা ছিলো, আছে, থাকবে। তোমরা অপ্রচারকারীরা মানুষকে বিভ্রান্ত করে কিছু করতে পারবে না। জয় বাংলা জয় বজ্ঞবন্ধু

তথ্যগুলো সঠিক নয়। কোন উৎস থেকে তথ্য এসেছে?

আপনি একটা দালাল, মিথ্যুক, প্রপাগাণ্ডা চালান। মানুষ এসব দালালদের ক্ষমা করবে না।

পাকিস্তানের দালালরা প্রপাগাণ্ডা বন্ধ কর। মমতাময়ী নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে তাই এখন শেখ হাসিনার পিছনে লেগে মিথ্যা অপপ্রচার শুরু করেছে দেশদ্রোহী পাকিস্তানের দালালরা।

এখনো পর্যন্ত এরকম কোনো প্রমাণ দেখাননি, একতরফা মনমতো লিখলেন। আওয়ামী লীগ সবসময় জনগনের ভোটেই ক্ষমতায় এসেছে।

এটি শুধুমাত্র আপনার ব্যক্তিগত মতামত, জনগণের মতামত নয়।

যত বেশি মানুষ এসব বিষয়ে জানতে পারবে, তত বেশি আমরা পরিবর্তন আনতে পারব। এই লেখাটা একটি দারুণ পদক্ষেপ।

স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আমাদের সকলের কণ্ঠ তোলা উচিত, যেন ভবিষ্যত প্রজন্ম আরও স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারে।

সন্ত্রাসী দল আওয়ামীলীগকে আর চাইনা চাইনা।

আপনি ভুল তথ্য দিচ্ছেন। আমাদের আস্থা হাসিনাতেই। বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসীদের বর্জন করুন।

দেশ বাচাও, হাসিনা হটাও। ছি ছি হাসিনা লজ্জায় বাচিনা।

ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে বিচার চাই বিচার চাই। হাসিনা হটাও, দেশকে স্বাধীন করো।

আপনার পোস্টটি বর্তমান সময়ে খুবই প্রাসঙ্গিক এবং প্রয়োজনীয়।

দেশের জন্য সঠিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, যা স্বৈরাচারের বাইরে থেকে জনগণের উন্নতি সাধন করবে।

আপনার বিশ্লেষণ অত্যন্ত সঠিক এবং সময়োপযোগী। আমি পুরোপুরি একমত। এই পোস্টের মাধ্যমে অনেককে সচেতন করা সম্ভব হবে।

গুরুত্বপূর্ণ ব্লগ। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি মানুষ অবশ্যই এই ব্লগ অন্তত একবার হলেও পড়া উচিত।

এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলাম। আপনি খুব সুন্দরভাবে এটি তুলে ধরেছেন।

তোমার ব্লগের প্রতিটি শব্দের জন্য মূল্য দিতে হবে।

স্বৈরাচারকে হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগকে চিরতরে নিষিদ্ধ করা হোক।

ধন্যবাদ সঠি ইতিহাস তুলে ধরার জন্য। তুমি সাহসী তোমাকে স্যালুট।

খুনি ভোট চুর হাসিনার পতন চাই।

তুমি দেশ ও সমাজের শত্রু। আমাদের দেশে তোমাদের মতো দেশ বিরুধী রাজাকারদের জায়গা নেই।

ফ্যাসিস্ট শেখ মুজিবের ফ্যাসিস্ট কন্যা হাসিনা। হাসিনা তুমি গদি ছাড়ো।

তুই দেশ বিরুধী কর্মকাণ্ড ও দেশের সুনাম নষ্ট করছ।

এ ধরনের গভীর গবেষণাভিত্তিক লেখাগুলো সত্যিই শিক্ষামূলক।

আমরা যেকোনো মুল্যে আগামী নির্বাচন তত্তাবধায়ক সরকারের অধিনে চাই।

আপনি যে দাবি করছেন, তার পেছনে কি কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আছে? এই বিষয়ে আমি আরো জানতে চাই।

আপনার লেখাটা একপেশে। আপনি শুধুমাত্র একটি পক্ষের কথা বলছেন। আপনি যদি বিএনপির দুর্নীতি ও অপশাসন নিয়েও পরিপূর্ণভাবে বিষয়টি লিখতেন, তাহলে আরও নিরপেক্ষ হতে পারতেন।

Comments are closed.