র্যাব ও পুলিশের ওপরে দেওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সব দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বেআইনিভাবে ব্যবহার করার কারণেই এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আপনারা সবাই অবগত আছেন সম্প্রতি ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক নির্বাহী আদেশে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাবেক মহাপরিচালক এবং বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ র্যাবের ছয় জন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার ওপর আর্থিক ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। মার্কিন রাজস্ব মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
Author: Maidul Islam
প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বক্তব্য ‘নারী বিদ্বেষী, কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর’
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কন্যা জায়মা রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি গত ১ ডিসেম্বর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভ ভিডিওতে জায়মা রহমানের ব্যাপারে এ ধরনের মন্তব্য করেন। আজ রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখ ৬১ হাজার বার দেখা হয়েছে, মন্তব্য জমা পড়েছে প্রায় ২ হাজার ছয়শ। এই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
সেই নাজমুল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি
সিলেট: দেশজুড়ে আলোচিত ঘটনা ছিল সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ধর্ষণকাণ্ড। এ ঘটনায় জড়িতদের পাশাপাশি নেপথ্যের কুশীলবদের ধরতে জোরালো দাবি ওঠে রাজপথে।
তবে নেপথ্যের খলনায়করা অধরাই থেকে যান। ধর্ষণকাণ্ডে জড়িতদের নেতা নাজমুল ইসলামকে করা হয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য জেলা ও মহানগর কমিটির অনুমোদন দেন।
‘সিলেট ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে গণধর্ষণ মামলার আসামির প্রশ্রয়দাতা ও অছাত্র’
প্রায় ৪ বছর কমিটিবিহীন থাকার পর সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি ঘোষিত হয় মঙ্গলবার। উভয় কমিটিতে কেবল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত ৪ নেতার নাম ঘোষণার পরই কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ করেছে পদবঞ্চিতরা।
বুধবার ‘সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক-বর্তমান নেতৃবৃন্দ’র ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।
ওরা প্রধানমন্ত্রীর লোক: আল-জাজিরার প্রতিবেদন
আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখন সুশাসন ও জবাবদিহিতা চরম সংকটে, তখন কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা প্রকাশ করল একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন- “All the Prime Minister’s Men”। এই রিপোর্টে বাংলাদেশের বর্তমান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং তার ভাইদের নানা অপরাধ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র উঠে এসেছে। রাষ্ট্রযন্ত্র কিভাবে একটি সন্ত্রাসী মাফিয়া পরিবারের হাতের খেলনায় পরিণত হয়, তার নির্মম বাস্তবচিত্র এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। এবং ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনার প্রত্যক্ষ প্রশ্রয়েই এসব অনিয়ম ও অপরাধ ঘটেছে।
সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারকে কেবল অপরাধী পরিবার বলা যাবে না। এরা একটি সন্ত্রাসী মাফিয়া পরিবার, যাদের রাজনৈতিক আশীর্বাদ এবং সামরিক ক্ষমতার ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা হয়েছে। এই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রয়েছে খুন, অস্ত্র ব্যবসা, জালিয়াতি, বিদেশে পলায়ন, এবং ভুয়া পরিচয়পত্র বানিয়ে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো অপরাধের তালিকা। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কোনো একক ঘটনা নয়; বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত, সংগঠিত এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্য থেকেই পরিচালিত অপরাধ চক্র।
