১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে আমরা সাধারণত আমাদের জাতীয় ইতিহাসের মহান গৌরব হিসেবে দেখি। তবে গভীর পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধের পেছনে ভারতের অপকৌশল এবং ষড়যন্ত্রের ছায়া রয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা, যিনি ছিলেন ভারতের দালাল তিনি ভারতের স্বার্থ হাসিলের জন্য কাজ করেছেন। তাঁর ‘ছয় দফা’ আন্দোলন, যা আমাদের কাছে স্বাধীনতার দাবি মনে হয়, প্রকৃতপক্ষে ছিল ভারতের পরিকল্পিত কূটনৈতিক চালাকি যার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে বিভক্ত করা হয়েছিল। পাকিস্তান বিভক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ভারতীয় কৌশলের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তিনি ভারতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিলেন। স্বাধীনতার নামে চলা এই আন্দোলনে প্রকৃত দেশের স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি। বরং পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ভারতীয় প্রভাব বিস্তার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য ছিল।
Category: Human Rights
২০১৪ সালের মতো নির্বাচন আর হতে দেওয়া যাবেনা
২০১৪ সালের মতো নির্বাচন আর হতে দেওয়া যাবেনা। যেই নির্বাচনে ৩০০ আসনের ১৫৪ জনই জনগণের ভোট ছাড়াই বিজয়ী হয়েছে। এদেশের সাড়ে পাঁচ কোটি ভোটার কেন্দ্রে যাননি। তারপরও তারা ক্ষমতায়। সংবিধান রক্ষার কথা বলেই গত ৯ বছর ধরে সরকার ক্ষমতা আকড়ে ধরে বসে আছে। ক্ষমতা থেকে বের হয়ে গেলে তাদের কী পরিণতি হবে এটা তারা জানে। ক্ষমতা ছাড়লেই তারা বিপন্ন হয়ে যাবে। এ সরকার শুধু উন্নয়নের কথা বলে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে না। কারণ তারা মিথ্যাচারের রাজনীতি করেন। তাদের নীতি-নৈতিকতা বলে কিছুই নেই। সাহস থাকলে অবাধ সুষ্টু ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন।
পুলিশের নির্যাতনে নিহত হলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান
মাওলানা সাইদুর রহমান কলারোয়া উপজেলার বাকশা হঠাৎগঞ্জ মাদ্রাসার সুপার ও জামায়াত নেতা। তিনি সদর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের মৃত দেলদার রহমানের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান, পাইক দেলোয়ার ও কনস্টেবল সুমন তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ভাইয়ের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে জামায়াতের মামলায় চালান দেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় পাঁচ হাজার টাকা দিতে চাইলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরে তাকে ধরে নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই মাদ্রাসা সুপার জামায়াত নেতার মৃত্যু হয়।
বিশ্বজিৎ হত্যা: মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই ছয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর
১৯৭২-৭৫ সালে তৎকালীন সরকার রক্ষী বাহিনী দিয়ে নকশাল নিধনের নামে দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে যে নিষ্ঠুরতায় মেতে উঠেছিলো, বর্তমান সরকার তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিপক্ষ শক্তিকে নিধনের খেলায় মেতে উঠে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে। এরই ফলশ্রুতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বজিৎকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে।
সিদ্দিকুরের চোখে টিয়ারশেল মেরেছে পুলিশ
সিদ্দিকুরের চোখে কোন পুলিশ সদস্য টিয়ারশেল মেরেছে এটা বের করা মোটেই অসম্ভব নয়। কারণ, এ ঘটনার অনেক স্থির ও ভিডিও চিত্র রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে যাবে কে টিয়ারশেল মেরেছে। সেদিন কারা সেখানে দায়িত্ব পালন করেছে এবং কাদের হাতে গ্যাস গান ছিল সেটা পুলিশের ডিউটি তালিকাতেই রয়েছে। দায়ী পুলিশ সদস্যকে খুঁজে বের করা পুলিশের জন্য খুবই সহজ একটি বিষয়।
