ঢাকা: অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করা বিখ্যাত বাংলাদেশি স্থপতি কালাম হোসেন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তীব্র আক্রমণ করে তোপ দাগলেন ‘স্বৈরাচারী’ বলে। তাঁর মতে, হাসিনা তাঁর বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রধান নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্যটিকে নষ্ট করেছেন। শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ৮২ বছর বয়সী কামাল হোসেন ৩০ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান নায়ক হিসেবে উঠে এসেছেন। আগামী রবিবার বাংলাদেশে যে সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে, তাতে জিতে গেলে শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ পরপর চতুর্থবার ক্ষমতায় বসবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি ক্রমাগত ভয়াবহ আঘাত হানার জন্যও শেখ হাসিনার সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কামাল হোসেন।
Category: Politics
৩০ ডিসেম্বর ২০১৮: জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে সেনাবাহিনীর সাথেই হবে চূড়ান্ত যুদ্ধ
বাংলাদেশ একটি সংকটময় সময় পার করছে। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ জাতীয় নির্বাচন এগিয়ে আসছে, কিন্তু জনগণের ভেতরে যে ভয়, যে হতাশা, এবং যে ক্ষোভ জমে উঠছে, তা আর সাধারণ কিছু নয়। ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, বাংলাদেশে নির্বাচন মানে কেবল ব্যালটবাক্সে ভোট ফেলা নয়- এটা এখন জীবন-মরণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্রযন্ত্র যেভাবে সরকারপন্থী হয়ে উঠছে, তাতে প্রশ্ন জাগে- এবার কি সেনাবাহিনীও আওয়ামীলীগ সরকারের আরেকটি দলীয় বাহিনী বা গোলামে পরিণত হবে? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির কথাও আমরা ভুলিনি। ইতিহাসের এক কলঙ্কিত নির্বাচন ছিল সেটি- যেখানে ১৫৩টি আসনে কোনও ভোটই হয়নি, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। বিরোধী দল বর্জন করেছিল নির্বাচনের মাঠ, আর সরকার ‘নির্বাচন’ নামক নাটক চালিয়ে গিয়েছিল সেনাবাহিনীকে নিস্তব্ধ পাহারাদার বানিয়ে। মানুষ ভোট দিতে পারেনি, রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করলে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে। সেদিন সেনাবাহিনী ছিল মাঠে, কিন্তু ছিল যেন এক নির্বাক, নিস্তেজ প্রতিমা- যারা দেখতে পেয়েছে ভোটহীন নির্বাচন, প্রশাসনিক সন্ত্রাস, অথচ কিছু বলেনি, কিছু করেনি। এমনকি মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে একতরফা বিজয় নিশ্চিত করা হয়েছিল। যারা জনগণের নিরাপত্তার শপথ নিয়ে বন্দুক হাতে মাঠে নামে, তারা সেদিন ছিল সরকারের দেহরক্ষী মাত্র। সেই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয়- যদি সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ না থাকে, তবে নির্বাচন মানেই একটি নাটক, যেখানে জনগণের ইচ্ছা নয়, সরকারই সিদ্ধান্ত নেয় কারা ‘জিতবে’।
দুর্নীতির কারখানা হাওয়া ভবন
বিগত চার দলীয় জোট সরকারের সময় নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিতর্কের জন্ম দেন তারেক রহমান। তখন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের পদে থাকলেও পারিবারিক রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে পুরো সরকারই নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে অভিযোগ ওঠে। দলের ভেতরে এ নিয়ে যেমন ক্ষোভ ছিল, তেমনি হতাশা ছিল প্রশাসনে। কিন্তু কেউই প্রতিবাদ করতে সাহস পেতেন না।
কোটা সংস্কার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে: ফেসবুক লাইভে নুর
তিন দফা দাবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর। সোমবার রাত ৮টার পর ফেসবুকের লাইভে এসে এ কথা বলেন।
দাবিগুলো হল-কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের যারা হামলা করেছে তাদের বিচার, আন্দোলনে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের মুক্তি এবং সরকারি চাকরিতে কোটা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ রাখা (৫ দফার আলোকে)। এ সময় তিনি সবাইকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।
কাউন্সিলর একরামকে গুলি করে হত্যা করলো র্যাব
কক্সবাজার-টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে র্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনবারের নির্বাচিত পৌর কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি একরামুল হকের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা। তাদের দাবি- এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
ঘটনার ৬ দিনের মাথায় নিহত একরামুল হকের স্ত্রী আয়েশা বেগম, দুই মেয়ে তাহিয়াত ও নাহিয়ান কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ফোনের অটো রেকর্ডারে রেকর্ড হওয়া চারটি ক্লিপ সাংবাদিকদের শোনান।
