ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে চানখাঁরপুলের দিকে যাওয়ার সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন নেতাকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা তুলে নিয়েছে। ওই তিন নেতা হলেন- ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান।
Category: Politics
বিশ্বের নতুন পাঁচ ‘স্বৈরতান্ত্রিক দেশের তালিকায়’ বাংলাদেশ
বাংলাদেশ এখন স্বৈরশাসনের অধীন এবং সেখানে এখন গণতন্ত্রের ন্যূনতম মানদন্ড পর্যন্ত মানা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছে একটি জার্মান গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
আমরা এদেশের সাধারণ জনগণ এত দিন ধরে যে কথাগুলো বলছিলাম আজকে তা বিশ্বে স্বীকৃত হয়েছে। এই গবেষণার মধ্য দিয়ে দেশের জনগণের মতের প্রতিফলন হয়েছে। বিশ্বের ১২৯টি দেশে গণতন্ত্র, বাজার অর্থনীতি এবং সুশাসনের অবস্থা নিয়ে এক সমীক্ষার পর জার্মান প্রতিষ্ঠান ‘বেরটেলসম্যান স্টিফটুং’ মন্তব্য করে, “বাংলাদেশ এখন স্বৈরশাসনের অধীন এবং সেখানে এখন গণতন্ত্রের ন্যূনতম মানদণ্ড পর্যন্ত মানা হচ্ছে না।
বাংলাদেশের তথাকথিত স্বাধীনতা: ১৯৭১ সালের বাস্তবতা
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে আমরা সাধারণত আমাদের জাতীয় ইতিহাসের মহান গৌরব হিসেবে দেখি। তবে গভীর পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধের পেছনে ভারতের অপকৌশল এবং ষড়যন্ত্রের ছায়া রয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন ভারতের পৃষ্ঠপোষকতায় পূর্ব পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা, যিনি ছিলেন ভারতের দালাল তিনি ভারতের স্বার্থ হাসিলের জন্য কাজ করেছেন। তাঁর ‘ছয় দফা’ আন্দোলন, যা আমাদের কাছে স্বাধীনতার দাবি মনে হয়, প্রকৃতপক্ষে ছিল ভারতের পরিকল্পিত কূটনৈতিক চালাকি যার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে বিভক্ত করা হয়েছিল। পাকিস্তান বিভক্ত করার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা RAW সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ভারতীয় কৌশলের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। তিনি ভারতের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিলেন। স্বাধীনতার নামে চলা এই আন্দোলনে প্রকৃত দেশের স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি। বরং পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করে ভারতীয় প্রভাব বিস্তার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য ছিল।
২০১৪ সালের মতো নির্বাচন আর হতে দেওয়া যাবেনা
২০১৪ সালের মতো নির্বাচন আর হতে দেওয়া যাবেনা। যেই নির্বাচনে ৩০০ আসনের ১৫৪ জনই জনগণের ভোট ছাড়াই বিজয়ী হয়েছে। এদেশের সাড়ে পাঁচ কোটি ভোটার কেন্দ্রে যাননি। তারপরও তারা ক্ষমতায়। সংবিধান রক্ষার কথা বলেই গত ৯ বছর ধরে সরকার ক্ষমতা আকড়ে ধরে বসে আছে। ক্ষমতা থেকে বের হয়ে গেলে তাদের কী পরিণতি হবে এটা তারা জানে। ক্ষমতা ছাড়লেই তারা বিপন্ন হয়ে যাবে। এ সরকার শুধু উন্নয়নের কথা বলে। গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলে না। কারণ তারা মিথ্যাচারের রাজনীতি করেন। তাদের নীতি-নৈতিকতা বলে কিছুই নেই। সাহস থাকলে অবাধ সুষ্টু ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন।
সত্যবাদী প্রধান বিচারপতি ও মিথ্যুক আইনমন্ত্রী
প্রধান বিচারপতি বিদেশে যাওয়ার পরদিন শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “প্রধান বিচারপতি ইতোমধ্যেই বলে দিয়েছেন, সরকার এখন সর্বোচ্চ আদালতের ওপরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, বলেই দিয়েছেন। শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিচারপতি সিনহার বক্তব্য সত্য প্রমাণিত করেছে “তাকে যখন ছুটি চাওয়ানো হয় তখন বলা হয়েছিল, অসুস্থ আছে। তিনি বলেছেন, তিনি সুস্থ আছেন। অথচ সরকার সব সময় বলেছে, তিনি অসুস্থ, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন।
