CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

আইনজীবী সাইফুলকে হত্যা: এর পেছনের কারণ কি?

স্বৈরাচার হাসিনা ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বিভিন্ন রুপে আওয়ামী লীগ রাস্তায় নামিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। হাসিনা হিন্দুদের দিয়ে দেশে ডাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসকনের হামলায় একজন আইনজীবী নিহত হয়েছে। দেশ ও দেশের বাহিরে থেকে দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি করছি। চারিদিক থেকে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। যে কোনো ধরনের ধর্মীয় দাঙ্গা আমাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। দেশে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। 

আমাদের দেশে সব ধর্মের সহাবস্থান থাকবে। আমরা সবার অধিকার রক্ষায় কাজ করব। কিন্তু ধর্মের দোহাই দিয়ে উগ্রবাদী সংগঠন পরিচালনা করলে– বাংলাদেশে এক হাত জায়গাও দেওয়া হবে না। আমার ভাই সাইফুলকে নৃশংসভাবে যারা হত্যা করা হয়েছে। এই ইসকনকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

দেশের আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধা অপরিহার্য। কোনোভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া সম্ভব নয়। যে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার জন্য তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন নিতে হবে, কিন্তু তার জন্য আদালতে আইনজীবীর উপর হামলা বা একজন আইনজীবীকে হত্যা করা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের হত্যার পেছনে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে রাজনীতি বা ধর্মীয় বিবেচনায় না নিয়ে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা উচিত। আমরা বাংলাদেশের মানুষ এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।