তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের কন্যা জায়মা রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি গত ১ ডিসেম্বর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভ ভিডিওতে জায়মা রহমানের ব্যাপারে এ ধরনের মন্তব্য করেন। আজ রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিডিওটি ১ লাখ ৬১ হাজার বার দেখা হয়েছে, মন্তব্য জমা পড়েছে প্রায় ২ হাজার ছয়শ। এই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
Category: Human Rights
সেই নাজমুল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি
সিলেট: দেশজুড়ে আলোচিত ঘটনা ছিল সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ধর্ষণকাণ্ড। এ ঘটনায় জড়িতদের পাশাপাশি নেপথ্যের কুশীলবদের ধরতে জোরালো দাবি ওঠে রাজপথে।
তবে নেপথ্যের খলনায়করা অধরাই থেকে যান। ধর্ষণকাণ্ডে জড়িতদের নেতা নাজমুল ইসলামকে করা হয়েছে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য জেলা ও মহানগর কমিটির অনুমোদন দেন।
ওরা প্রধানমন্ত্রীর লোক: আল-জাজিরার প্রতিবেদন
আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে যখন সুশাসন ও জবাবদিহিতা চরম সংকটে, তখন কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা প্রকাশ করল একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন- “All the Prime Minister’s Men”। এই রিপোর্টে বাংলাদেশের বর্তমান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং তার ভাইদের নানা অপরাধ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র উঠে এসেছে। রাষ্ট্রযন্ত্র কিভাবে একটি সন্ত্রাসী মাফিয়া পরিবারের হাতের খেলনায় পরিণত হয়, তার নির্মম বাস্তবচিত্র এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। এবং ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনার প্রত্যক্ষ প্রশ্রয়েই এসব অনিয়ম ও অপরাধ ঘটেছে।
সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারকে কেবল অপরাধী পরিবার বলা যাবে না। এরা একটি সন্ত্রাসী মাফিয়া পরিবার, যাদের রাজনৈতিক আশীর্বাদ এবং সামরিক ক্ষমতার ছত্রছায়ায় বেড়ে ওঠা হয়েছে। এই পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রয়েছে খুন, অস্ত্র ব্যবসা, জালিয়াতি, বিদেশে পলায়ন, এবং ভুয়া পরিচয়পত্র বানিয়ে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার মতো অপরাধের তালিকা। তাদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ কোনো একক ঘটনা নয়; বরং এটি ছিল একটি পরিকল্পিত, সংগঠিত এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্য থেকেই পরিচালিত অপরাধ চক্র।
প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ধর্ষক নাজমুল, গ্রেফতার করছে না পুলিশ
এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের গনধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষকদের একজন ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল তাহলে নাজমুল কেন গ্রেফতার নয়। উক্ত গৃহবধূকে ৯জন মিলে গনধর্ষন করলেও ৮জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাহলে কি নাজমুল পার পেয়ে গেলো।
বিচার বহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা
২০০৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই সরকারের অধীনে এ দেশে প্রায় তিন হাজার মানুষ পুলিশ, র্যাব, ডিবির হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। তাদের অধিকাংশই বিরোধী মত ও দলের নেতাকর্মী। গত ১০ বছর সময়ের মধ্যে এ দেশের জেলহাজতে মারা গেছে ৭৯৫ মানুষ, গুম হয়েছে ৬০১ জন, ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৭ হাজার ৮০৬ নারী, ১ হাজার ৯৩৪ শিশু নির্যাতিত হয়েছে, ১৮ জন শিশু হত্যার শিকার হয়েছে।
