প্রধান বিচারপতি বিদেশে যাওয়ার পরদিন শনিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “প্রধান বিচারপতি ইতোমধ্যেই বলে দিয়েছেন, সরকার এখন সর্বোচ্চ আদালতের ওপরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে, বলেই দিয়েছেন। শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিচারপতি সিনহার বক্তব্য সত্য প্রমাণিত করেছে “তাকে যখন ছুটি চাওয়ানো হয় তখন বলা হয়েছিল, অসুস্থ আছে। তিনি বলেছেন, তিনি সুস্থ আছেন। অথচ সরকার সব সময় বলেছে, তিনি অসুস্থ, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন।
Category: Justice
পুলিশের নির্যাতনে নিহত হলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান
মাওলানা সাইদুর রহমান কলারোয়া উপজেলার বাকশা হঠাৎগঞ্জ মাদ্রাসার সুপার ও জামায়াত নেতা। তিনি সদর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের মৃত দেলদার রহমানের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান, পাইক দেলোয়ার ও কনস্টেবল সুমন তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ভাইয়ের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে জামায়াতের মামলায় চালান দেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় পাঁচ হাজার টাকা দিতে চাইলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরে তাকে ধরে নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই মাদ্রাসা সুপার জামায়াত নেতার মৃত্যু হয়।
বিশ্বজিৎ হত্যা: মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই ছয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর
১৯৭২-৭৫ সালে তৎকালীন সরকার রক্ষী বাহিনী দিয়ে নকশাল নিধনের নামে দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে যে নিষ্ঠুরতায় মেতে উঠেছিলো, বর্তমান সরকার তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিপক্ষ শক্তিকে নিধনের খেলায় মেতে উঠে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে। এরই ফলশ্রুতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বজিৎকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে।
সিদ্দিকুরের চোখে টিয়ারশেল মেরেছে পুলিশ
সিদ্দিকুরের চোখে কোন পুলিশ সদস্য টিয়ারশেল মেরেছে এটা বের করা মোটেই অসম্ভব নয়। কারণ, এ ঘটনার অনেক স্থির ও ভিডিও চিত্র রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে যাবে কে টিয়ারশেল মেরেছে। সেদিন কারা সেখানে দায়িত্ব পালন করেছে এবং কাদের হাতে গ্যাস গান ছিল সেটা পুলিশের ডিউটি তালিকাতেই রয়েছে। দায়ী পুলিশ সদস্যকে খুঁজে বের করা পুলিশের জন্য খুবই সহজ একটি বিষয়।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০-২৫ জন লোক অতর্কিতে গাড়িবহরে লাঠিসোঁটা, রামদাসহ হামলা করে। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে। গাড়ি তছনছ করা হয়েছে। গাড়ির ভাঙা কাচ আমার শরীরে এসে লেগেছে। আমিসহ আমাদের কয়েকজন নেতা আহত হয়েছেন।
মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও ছিলেন। তিনি বলেন, আমার হাত দিয়ে রক্ত ঝরছে। এখন কথা বলতে পারছি না। আমার গাড়ি ভেঙে চুরমার করা হয়েছে।
সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। ওই জায়গার বীভৎসতা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। প্রত্যেক হামলাকারীর হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র ও লাঠিসোঁঠা ছিল।
