CategoriesHuman RightsJusticePolitics

বিশ্বজিৎ হত্যা: মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই ছয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর

১৯৭২-৭৫ সালে তৎকালীন সরকার রক্ষী বাহিনী দিয়ে নকশাল নিধনের নামে দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে যে নিষ্ঠুরতায় মেতে উঠেছিলো, বর্তমান সরকার তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিপক্ষ শক্তিকে নিধনের খেলায় মেতে উঠে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে। এরই ফলশ্রুতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বজিৎকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে।

CategoriesHuman RightsJustice

সিদ্দিকুরের চোখে টিয়ারশেল মেরেছে পুলিশ

সিদ্দিকুরের চোখে কোন পুলিশ সদস্য টিয়ারশেল মেরেছে এটা বের করা মোটেই অসম্ভব নয়। কারণ, এ ঘটনার অনেক স্থির ও ভিডিও চিত্র রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে যাবে কে টিয়ারশেল মেরেছে। সেদিন কারা সেখানে দায়িত্ব পালন করেছে এবং কাদের হাতে গ্যাস গান ছিল সেটা পুলিশের ডিউটি তালিকাতেই রয়েছে। দায়ী পুলিশ সদস্যকে খুঁজে বের করা পুলিশের জন্য খুবই সহজ একটি বিষয়।

CategoriesHuman RightsJusticePolitics

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০-২৫ জন লোক অতর্কিতে গাড়িবহরে লাঠিসোঁটা, রামদাসহ হামলা করে। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে। গাড়ি তছনছ করা হয়েছে। গাড়ির ভাঙা কাচ আমার শরীরে এসে লেগেছে। আমিসহ আমাদের কয়েকজন নেতা আহত হয়েছেন।

মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও ছিলেন। তিনি বলেন, আমার হাত দিয়ে রক্ত ঝরছে। এখন কথা বলতে পারছি না। আমার গাড়ি ভেঙে চুরমার করা হয়েছে।

সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। ওই জায়গার বীভৎসতা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। প্রত্যেক হামলাকারীর হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র ও লাঠিসোঁঠা ছিল।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

জাতীয় পতাকা ও সংগীত কি সত্যিই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে?

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে যে “আমার সোনার বাংলা” গানটি রাখা হয়েছে, সেটি প্রকৃতপক্ষে পশ্চিমবঙ্গের জন্য লেখা হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গানটি লিখেছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্ব বঙ্গ তথা আজকের পশ্চিমবঙ্গের মাটির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ হিসেবে, যা আমাদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বাস্তবতা ও অনুভূতির সঙ্গে কোনোমতেই মেলেনা। কিন্তু আমরা কেন এতকাল এই গানকে বাংলাদেশী জাতীয় সংগীত হিসেবে মেনে নিয়েছি? এটা কি আমাদের নিজের জাতির সংস্কৃতি, ইতিহাস ও পরিচয়ের সত্যিকার প্রতীক? না, বরং এটা একটি নিছক উপনিবেশবাদী ও ভারতীয় সাংস্কৃতিক প্রভাবের অবশিষ্টাংশ। আমরা এই বিদেশি সাংস্কৃতিক ছাপমুক্ত হতে পারিনি, বরং স্বাধীনতার পরেও সেই দখলদারত্বের ছায়ায় পড়ে আছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতীয় পতাকা এবং জাতীয় সংগীত বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে।

এখন প্রশ্ন হলো- আমাদের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীত কি সত্যিই আমাদের স্বাধীনতার প্রকৃত প্রতীক? নাকি এগুলো এক ধরনের রাজনৈতিক ও ভারতের আধিপত্যের প্রতীক, যা আমাদের জাতির প্রকৃত পরিচয় ও ইতিহাসকে অবজ্ঞা করে? এখন আমি এই প্রশ্ন উঠানোয় অনেকের কাছে তা ‘অপমানজনক’ মনে হতে পারে, কিন্তু গণতন্ত্রের আসল চাহিদাই হলো স্বচ্ছতা, প্রশ্নবোধ এবং নিজের দেশ ও ইতিহাসের প্রতি সৎ বিচার। আমাদের জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা, যা ১৯০৫ সালের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময়ে লেখা হয়েছিল। অর্থাৎ, বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠার অনেক আগে এটি রচিত। এই সংগীতে ‘বাংলাদেশ’ শব্দটির কোনো উল্লেখ নেই, বরং ‘বাংলা’ শব্দের মাধ্যমে অবিভক্ত বাংলার আবেগ প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতার প্রায় ৫০ বছর সময় পরও এই সংগীতই বাংলাদেশে জাতীয় সংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যেখানে আমাদের দেশের নাম ও প্রকৃত সংস্কৃতির উল্লেখ নেই। এটা কি স্বতন্ত্র জাতির সাংস্কৃতিক ও জাতীয় পরিচয় সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে? এই প্রশ্ন খুব জরুরি।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

২০১৬: হারানো শক্তি ফিরে পেতে ব্যর্থ বিএনপি

২০১৬ সালটি গত হয়েছে। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়ে অতীতের সারিতে স্থান করে নিয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর সূর্যাস্তের সাথে সাথে। এখন চলছে গত বছরটি নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির ব্যালেন্স শিট মেলাতে ব্যস্ত সবাই। রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয় আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, মোট কথা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ২০১৬ সাল কী দিয়ে গেল বা কী নিয়ে গেল তারই চুলচেরা বিশ্লেষণে রত হয়েছেন অনেকে।