CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

ছাত্রলীগকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে নিষিদ্ধ চাই।

অনতিবিলম্বে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ও বেআইনি ঘোষণা করতে হবে। গত ১৬ বছরে দেশের বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পেছনে ছাত্রলীগের সক্রিয় ভূমিকা লক্ষ করা গেছে। ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সারা দেশে হাজার হাজার নিরীহ ছাত্র-ছাত্রী নিহত হয়েছে, যার মধ্যে আবু সাঈদ ও মুগ্ধের নির্মম হত্যাকাণ্ড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

ফ্যাসিস্ট হাসিনার স্বৈরাচারি শাসনের অবসান ও তক্তাবদায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ ও অস্থিতিশীল। দেশে স্বৈরাচারের শাসন চলমান আছে, যেখানে জনগণের কথা উপেক্ষা করে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার, যার নেতৃত্বে রয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা, গত প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের শাসনকার্য চালিয়ে আসছে, কিন্তু এর শাসনকালের মধ্যেই দেশে গণতন্ত্রের কবর হয়েছে।

সরকারের তরফ থেকে নির্বাচনের কথা বলা হলেও, সেগুলো ছিল শুধুই এক ধরনের নাটক। গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ, সুষ্ঠু নির্বাচন, আর জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশ আজ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন। এক এক করে সরকার সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে ফেলেছে এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে।

CategoriesHuman RightsJusticePolitics

টিলাগরে সন্ত্রাসঃ ও চাঁদাবাজদের ত্রাস

টিলাগরকে নিরাপদ করতে বেশি কিছু লাগবে না শুধুমাত্র ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করে বিচারের আয়তায় আনুন। তাদের মধ্যে টিলাগরের চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও খুনি সন্ত্রাস ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম, রুহেল আহমদ, সাইফুর রহমান, জাহিদ হাসান, সাব্বির করিম, মাহবুবুর রনি, আইনুদ্দিন আহমদ সহ টিলাগড়ের রঞ্জজিত গ্রুপের আরও সদস্যদের গ্রেফতার করে বিচারের আয়তায় আনুন। মানুষ টিলাগড়ে শান্তি দেখতে চায় নিরাপদে বাস করতে চায় ।

CategoriesHuman RightsJusticePolitics

বিশ্বজিৎ হত্যা: মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই ছয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর

১৯৭২-৭৫ সালে তৎকালীন সরকার রক্ষী বাহিনী দিয়ে নকশাল নিধনের নামে দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে যে নিষ্ঠুরতায় মেতে উঠেছিলো, বর্তমান সরকার তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিপক্ষ শক্তিকে নিধনের খেলায় মেতে উঠে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে। এরই ফলশ্রুতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বজিৎকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

অধ্যাপক রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ড: জঙ্গিবাদের বিষবৃক্ষের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে

২৩ এপ্রিল ২০১৬, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দিনের আলোয় প্রকাশ্যে ঘাতকেরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। হত্যার ধরন, সময় এবং বার্তা পরিষ্কার করে দেয়—এটি ছিল একটি সংগঠিত, পূর্বপরিকল্পিত জঙ্গি হামলা। এ হত্যাকাণ্ড কেবল একটি জীবন নিঃশেষ করে দেয়নি; এটি ছিল মুক্তচিন্তার উপর এক গুরুতর আঘাত।

এই হত্যার পর আবারো প্রশ্ন উঠে: বাংলাদেশ কি নিরাপদ? সরকারের দায়িত্ব কি কেবল শোক প্রকাশ করা, নাকি এই হত্যার শেকড় উপড়ে ফেলা?