ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রশাসনের প্রশ্রয়ে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, ফারুক হোসেন, মশিউর রহমানসহ অন্তত ৪০ জনের উপর হামলা হয়েছে। কারও পা ভেঙে গেছে, নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে, বমি করছে, বুকের হাড় ভেঙে গেছে। অনেকে আইসিইউতে রয়েছে। অনেকের অবস্থা সংকটাপন্ন। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরা নিয়ে আমরা শঙ্কায় আছি।
Tag: হামলা
ভিপি প্রার্থী নূরের উপর ছাত্রলীগের হামলা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভিপি প্রার্থী নুরুল হক নূরের উপর ছাত্রলীগের হামলা।
আজ সোমবার ‘রোকেয়া হলে ছাত্রলীগ নেত্রীরা কোটা আন্দোলনের নুরু ভাইকে মেরে আহত করেছে। দুপুর ১২টার দিকে বেগম রোকেয়া হলে হামলার শিকার হন নূর। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে। সকাল ৮টা থেকে ডাকসু নির্বাচন শুরু হলেও রোকেয়া হলে এক ঘণ্টা দেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এসময় তিনটি ব্যালট বাক্স সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে রোকেয়া হলে ভোট গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভোটে কারচুপি করেও নুরের জয় থামাতে পারবেন না।
ছবিঃ সংগ্রহীত
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, প্রায় ২০-২৫ জন লোক অতর্কিতে গাড়িবহরে লাঠিসোঁটা, রামদাসহ হামলা করে। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে গেছে। গাড়ি তছনছ করা হয়েছে। গাড়ির ভাঙা কাচ আমার শরীরে এসে লেগেছে। আমিসহ আমাদের কয়েকজন নেতা আহত হয়েছেন।
মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও ছিলেন। তিনি বলেন, আমার হাত দিয়ে রক্ত ঝরছে। এখন কথা বলতে পারছি না। আমার গাড়ি ভেঙে চুরমার করা হয়েছে।
সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। ওই জায়গার বীভৎসতা ভাষায় প্রকাশ করার মত না। প্রত্যেক হামলাকারীর হাতেই আগ্নেয়াস্ত্র ও লাঠিসোঁঠা ছিল।
