CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

সরকারের নীরবতা ও বিচারহীনতা: ফ্যাসিস্ট খুনিদের শাস্তি কবে?

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ড. ইউনুস সরকার ক্ষমতায় এসেই দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণের জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এক সত্যি উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ৫ আগষ্টের বিপ্লব ও ফ্যাসিস্ট শাসনের পতন হলেও গত ১৬ বছর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসন আমলের যে সমস্ত ভয়াবহ অপরাধ, হত্যাকাণ্ড, গুম, খুন, অপহরণ, নির্যাতন ও বিচারবহিভুত হত্যার ঘটনা ঘটে, সেগুলোর বিচার এখনো সম্পন্ন হয়নি। একদিকে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে জনগণ আশা করছে যে তারা এই ন্যায্য বিচার প্রক্রিয়া শুরু করবে, অন্যদিকে সরকারের উদাসীনতা ও অঙ্গীকারহীনতা আজও জনগণের সামনে বড় এক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

গত ১৬ বছর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অন্ধকার অধ্যায় রয়ে গেছে, যেটি হলো আওয়ামী লীগ সরকারের ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শাসনামল। এই সময়ের মধ্যে পিলখানা বিডিয়ার হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরে আলেম উলামাদের হত্যাকাণ্ড, ব্লগার হত্যা, গুম, খুন ও ধর্ষনের মতো একের পর এক নির্মম ঘটনা ঘটছিল। কিন্তু আজও সেই সব হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হয়নি। আজ সরকার বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে, এসব ভয়াবহ অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছেনা।

CategoriesPolitics

Bangladesh Election 2018: শেখ হাসিনা একজন ‘স্বৈরাচারী’ শাসক, বললেন কামাল হোসেন

ঢাকা: অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করা বিখ্যাত বাংলাদেশি স্থপতি কালাম হোসেন দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তীব্র আক্রমণ করে তোপ দাগলেন ‘স্বৈরাচারী’ বলে। তাঁর মতে, হাসিনা তাঁর বাবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রধান নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্যটিকে নষ্ট করেছেন। শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ৮২ বছর বয়সী কামাল হোসেন ৩০ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রধান নায়ক হিসেবে উঠে এসেছেন। আগামী রবিবার বাংলাদেশে যে সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে, তাতে জিতে গেলে শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগ পরপর চতুর্থবার ক্ষমতায় বসবে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি ক্রমাগত ভয়াবহ আঘাত হানার জন্যও শেখ হাসিনার সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কামাল হোসেন।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

৩০ ডিসেম্বর ২০১৮: জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে সেনাবাহিনীর সাথেই হবে চূড়ান্ত যুদ্ধ

বাংলাদেশ একটি সংকটময় সময় পার করছে। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ জাতীয় নির্বাচন এগিয়ে আসছে, কিন্তু জনগণের ভেতরে যে ভয়, যে হতাশা, এবং যে ক্ষোভ জমে উঠছে, তা আর সাধারণ কিছু নয়। ইতিহাস আমাদের শিখিয়েছে, বাংলাদেশে নির্বাচন মানে কেবল ব্যালটবাক্সে ভোট ফেলা নয়- এটা এখন জীবন-মরণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাষ্ট্রযন্ত্র যেভাবে সরকারপন্থী হয়ে উঠছে, তাতে প্রশ্ন জাগে- এবার কি সেনাবাহিনীও আওয়ামীলীগ সরকারের আরেকটি দলীয় বাহিনী বা গোলামে পরিণত হবে? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির কথাও আমরা ভুলিনি। ইতিহাসের এক কলঙ্কিত নির্বাচন ছিল সেটি- যেখানে ১৫৩টি আসনে কোনও ভোটই হয়নি, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। বিরোধী দল বর্জন করেছিল নির্বাচনের মাঠ, আর সরকার ‘নির্বাচন’ নামক নাটক চালিয়ে গিয়েছিল সেনাবাহিনীকে নিস্তব্ধ পাহারাদার বানিয়ে। মানুষ ভোট দিতে পারেনি, রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করলে দমন-পীড়নের শিকার হয়েছে। সেদিন সেনাবাহিনী ছিল মাঠে, কিন্তু ছিল যেন এক নির্বাক, নিস্তেজ প্রতিমা- যারা দেখতে পেয়েছে ভোটহীন নির্বাচন, প্রশাসনিক সন্ত্রাস, অথচ কিছু বলেনি, কিছু করেনি। এমনকি মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে একতরফা বিজয় নিশ্চিত করা হয়েছিল। যারা জনগণের নিরাপত্তার শপথ নিয়ে বন্দুক হাতে মাঠে নামে, তারা সেদিন ছিল সরকারের দেহরক্ষী মাত্র। সেই ঘটনা আমাদের শিক্ষা দেয়- যদি সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ না থাকে, তবে নির্বাচন মানেই একটি নাটক, যেখানে জনগণের ইচ্ছা নয়, সরকারই সিদ্ধান্ত নেয় কারা ‘জিতবে’।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

২০১৬: হারানো শক্তি ফিরে পেতে ব্যর্থ বিএনপি

২০১৬ সালটি গত হয়েছে। অনেক ঘটনা-দুর্ঘটনার সাক্ষী হয়ে অতীতের সারিতে স্থান করে নিয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর সূর্যাস্তের সাথে সাথে। এখন চলছে গত বছরটি নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির ব্যালেন্স শিট মেলাতে ব্যস্ত সবাই। রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিষয় আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট, মোট কথা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ২০১৬ সাল কী দিয়ে গেল বা কী নিয়ে গেল তারই চুলচেরা বিশ্লেষণে রত হয়েছেন অনেকে।