ভোলাগঞ্জের পরিচিত সাদা পাথরগুলো, যা বছরের পর বছর ধরে স্থানীয় জনগণ ও পুরো এলাকার সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক পরিচয়ের অঙ্গ হিসেবে পরিচিত ছিল, হঠাৎ করেই রহস্যজনকভাবে লোপ হয়েছে। এই ঘটনা শুধু আর্থিক ক্ষতির বিষয় নয়, এটি স্থানীয় জনগণের আস্থা ও প্রশাসনের প্রতি বিশ্বাসকে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, কোথায় গেল এই পাথরগুলো, এবং কেন প্রশাসন বা স্থানীয় সরকার এই ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এই সাদা পাথরগুলো কেবল অভাবনীয় নজরদারিহীনতার কারণে হারিয়ে যায়নি। বরং পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তার সহযোগীরা এই সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে। তারা পাথরগুলো নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য চুরি করেছে। স্থানীয়দের উপর তাদের চাদাবাজি, ভয় সৃষ্টি এবং প্রতিটি স্বাভাবিক কার্যকলাপকে ব্যাহত করার ইতিহাস তো আমরা ইতিমধ্যেই জানি। এ ধরনের চুরি ও লুটপাট কোনো সাধারণ অপরাধ নয়; এটি রাজনৈতিক সহিংসতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি স্পষ্ট উদাহরণ।
Tag: বিএনপি
আগামী নির্বাচনে কারা জিতবে?
বর্তমান বাংলাদেশে রাজনৈতিক মহলে অনেকটাই অস্থিরতা বিরাজ করছে। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি- দুই পক্ষই জনসমক্ষে তাদের দীর্ঘ দিনের দুর্নীতি, স্বৈরাচারী শাসন এবং ক্ষমতার লোভের জন্য কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে। তবে এই দুই দলের বাইরে কিছু নতুন রাজনৈতিক শক্তিও উঠে আসছে, যার মধ্যে এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। আওয়ামী লীগ দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় না থাকলেও তাদের স্বৈরাচারী শাসনের ইতিহাস আজও ভোলা যায় না। ২০২৪ সালের আগ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা সময়ে দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকাংশেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সরকারের শাসন ব্যবস্থায় ছিল কঠোর নিয়ন্ত্রণ, বিরোধী মতপ্রকাশ দমন, ও নানা রকম দুর্নীতি। তাদের এই স্বৈরাচারী শাসন দেশের গনতান্ত্রিক মূলনীতিকে ব্যাহত করেছে এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের পথে বাধা সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, ক্ষমতার জন্য ক্ষমতায় টিকে থাকার অন্ধ লোভে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে যদিও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় নেই, তবুও তাদের স্বৈরাচারী শাসনের পরিণাম দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত সৃষ্টি করেছে। দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের পরিবর্তে অবিচার, দমন-পীড়ন, এবং সামাজিক অস্থিরতা বেড়ে গেছে। এই কারণে আওয়ামী লীগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমে গেছে।
ছাত্রদলের নৈরাজ্য: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি সন্ত্রাসীদের দখলে?
বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কি সত্যিই শিক্ষার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পেরেছে, নাকি এগুলো রাজনৈতিক সহিংসতার আস্তানায় পরিণত হয়েছে? গতকাল মজ্ঞলবার কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতৃত্বে যে সহিংস হামলা চালানো হয়েছে, তা আমাদের আবারও মনে করিয়ে দেয় যে, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলছিল, যেখানে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো হচ্ছিল। কিন্তু সেই বিক্ষোভে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত করে। শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে বিজিবি মোতায়েন করতে বাধ্য হতে হয়।
‘বিএনপি কে ক্ষমতায় আসার সুযোগ দেওয়া যাবে না’
বিএনপি ফ্যাসিবাদী আচরণ করলে তাদের পরিণতিও কিন্তু আওয়ামী লীগের মতোই হবে। তাদেরকে বলতে চাই ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ বলেছিল, আমরা দেশ ছেড়ে পালাই না, যখন এই দেশের জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছে তখন শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।
২৯ ডিসেম্বর রাতেই ভোট হয়ে গেছে
৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য থাকলেও ২৯ তারিখ রাতেই ভোট হয়ে গেছে। ভোট ডাকাতির একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০ ডিসেম্বর দিনটি ছিল ভোটগ্রহণের নামে আইওয়াশ। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে। এই ভুয়া ভোটের সংসদের কোনো বৈধতা নেই। এমন নির্বাচন দেশের ইতিহাসে আর হয়নি। নজিরবিহীন ভুয়া ভোটের এই নির্বাচনের আগের দিনই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রশাসনের সহায়তায় ভোট ডাকাতি করে ব্যালট বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। প্রশাসন এসব অনিয়ম ঠেকাতে সক্রিয় ছিল না।
