সম্প্রতি ঢাকা সেনানিবাসে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এর মধ্যে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গোপন বৈঠকের কথা কেন কেউ জানে না, এ প্রশ্ন উঠছে— কেন এত গোপনীয়তা? বৈঠকটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি, এর পেছনে কিছু গভীর রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি কি কোনো বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সংকটাপন্ন করা হতে পারে?
Category: Democracy
ভারতের মিথ্যা প্রপাগান্ডার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, ফ্যাসিস্ট হাসিনার গোপন চুক্তি প্রকাশ করা হোক
সম্প্রতি, ভারতের একটি বিশেষ গোষ্ঠী ও বেশিরভাগ ভারতীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে একধরনের প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন হচ্ছে এমন মিথ্যা প্রপাগাণ্ডামুলক সংবাদ অতিরঞ্জিত করে এমনভাবে উপস্থাপন করছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সাংঘর্ষিক। এই প্রপাগান্ডার মধ্য দিয়ে তারা বাংলাদেশে বিভেদ সৃষ্টি এবং দেশের উন্নয়নশীল ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
আইনজীবী সাইফুলকে হত্যা: এর পেছনের কারণ কি?
স্বৈরাচার হাসিনা ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বিভিন্ন রুপে আওয়ামী লীগ রাস্তায় নামিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। হাসিনা হিন্দুদের দিয়ে দেশে ডাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসকনের হামলায় একজন আইনজীবী নিহত হয়েছে। দেশ ও দেশের বাহিরে থেকে দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি করছি। চারিদিক থেকে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। যে কোনো ধরনের ধর্মীয় দাঙ্গা আমাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। দেশে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজ থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
আহত মানুষের রাস্তায় নামা: সরকারের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি”
১৩ নভেম্বর, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পঙ্গু হাসপাতালের সামনে আহত মানুষরা হাসপাতালে বিছানা ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তাদের দাবি দুটি—সুচিকিৎসা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের পদত্যাগ।
বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের কারণ সুস্পষ্ট। তারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন, কিন্তু এখন তাদের জীবনের জন্য লড়াই করতে হচ্ছে। আহত অবস্থায়ও তাদের পথে নামতে হলো, কারণ তারা সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তাদের সঙ্গে দেখা না করেই হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এ দৃশ্য শুধু সরকারকেই বিব্রত করেনি, প্রশ্ন তুলেছে সরকার ও সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের দায়িত্ব ও দক্ষতা নিয়েও।
ফ্যাসিবাদের দোসররা উপদেষ্টা পরিষদে কেন? সরকারের উদ্দেশ্য কী?
বিগত সরকার মুজিববাদকে পুঁজি করে একটি ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই জালেম স্বৈরশাসকগোষ্ঠীর পতন নিশ্চিত হয়। ফারুকী ও বশিরসহ একাধিক উপদেষ্টা সেই পতিত আওয়ামী সরকারের দোসর। সেখ বশির উদ্দীন সরাসরি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র হত্যার সঙ্গে জড়িত। তাকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা শহীদ ভাইদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি। মোস্তফা ফারুকী বিভিন্ন সময়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ নানা উপায়ে শেখ হাসিনা সরকারের প্রশংসা করেছেন, সমর্থন জুগিয়েছেন। এ ছাড়া সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠ সাবেক তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকসহ ফ্যাসিস্ট সরকারের একাধিক নেতার ঘনিষ্ঠ ছিলেন ফারুকী।
