আমরা আজকে এক কঠিন সময় পার করছি। এই সময় আমাদেরকে রক্ষা করবার সময়, এই সময় আমাদের গণতন্ত্রকে রক্ষা করবার সময়. এই সময় আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবার সময়, আমাদের রক্তের বিনিময় স্বাধীনতাকে রক্ষা করবার সময়।’‘বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণভাবে একটি গণতন্ত্রহীন, ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র একটা দেশে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আসুন আমরা সেই লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি। নিজেদের মধ্যে ছোট-খাটো বিভেদ ভুলে দিয়ে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই।
Tag: পুলিশ
পুলিশ ও র্যাব কর্মকর্তাদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
র্যাব ও পুলিশের ওপরে দেওয়া মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সব দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বেআইনিভাবে ব্যবহার করার কারণেই এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আপনারা সবাই অবগত আছেন সম্প্রতি ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের’ অভিযোগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক নির্বাহী আদেশে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সাবেক মহাপরিচালক এবং বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শকসহ র্যাবের ছয় জন সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তার ওপর আর্থিক ও ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। মার্কিন রাজস্ব মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন নেতা নুর,রাশেদ ও ফারুককে তুলে নিয়েছে ডিবি পুলিশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে চানখাঁরপুলের দিকে যাওয়ার সময় কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন নেতাকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা তুলে নিয়েছে। ওই তিন নেতা হলেন- ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান।
পুলিশের নির্যাতনে নিহত হলেন মাওলানা সাঈদুর রহমান
মাওলানা সাইদুর রহমান কলারোয়া উপজেলার বাকশা হঠাৎগঞ্জ মাদ্রাসার সুপার ও জামায়াত নেতা। তিনি সদর উপজেলার কাথন্ডা গ্রামের মৃত দেলদার রহমানের ছেলে। গত বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান, পাইক দেলোয়ার ও কনস্টেবল সুমন তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ভাইয়ের কাছে এক লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে জামায়াতের মামলায় চালান দেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় পাঁচ হাজার টাকা দিতে চাইলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরে তাকে ধরে নিয়ে যায়। গতকাল শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই মাদ্রাসা সুপার জামায়াত নেতার মৃত্যু হয়।
সিদ্দিকুরের চোখে টিয়ারশেল মেরেছে পুলিশ
সিদ্দিকুরের চোখে কোন পুলিশ সদস্য টিয়ারশেল মেরেছে এটা বের করা মোটেই অসম্ভব নয়। কারণ, এ ঘটনার অনেক স্থির ও ভিডিও চিত্র রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করলেই বেরিয়ে যাবে কে টিয়ারশেল মেরেছে। সেদিন কারা সেখানে দায়িত্ব পালন করেছে এবং কাদের হাতে গ্যাস গান ছিল সেটা পুলিশের ডিউটি তালিকাতেই রয়েছে। দায়ী পুলিশ সদস্যকে খুঁজে বের করা পুলিশের জন্য খুবই সহজ একটি বিষয়।
