আন্দোলনরত সবাইকে শনিবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ।
Tag: মানবাধিকার
বিরোধ মিটলেও যুবককে হত্যা: ভাইয়ের অবস্থা সংকটজনক, কবে আসবে বিচার?
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ছুরিকাঘাতে মাসরুল মিয়া (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত ছোট ভাই মাসুম মিয়াকে (১৭) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চন্ডীগড় ইউনিয়নের একতা বাজারে দুই ভাইয়ের ওপর হামলা চালায় স্থানীয় কয়েকজন। এসময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধারালো ছুরি দিয়ে হামলাকারীরা মাসরুল ও তার ছোট ভাইয়ের পেটে ও ঘাড়ে বেশ কয়েকটি আঘাত করে পালিয়ে যায়।
আজ সেই ভয়াবহ ৫ই মে: শাপলা চত্বরের নৃশংসতা
আজ সেই ভয়াবহ ৫ মে-। ২০১৩ সালের ৫ মে, ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নিরীহ মানুষদের ওপর ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে বর্বরোচিত আক্রমণ চালায়, তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশ।
হেফাজতে ইসলাম তাদের ১৩ দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করছিল। কিন্তু বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার এই সমাবেশকে নির্মমভাবে দমন করতে বেছে নেয় রক্তাক্ত পথ। রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে, টিয়ার শেল, রাবার বুলেট এবং তাজা গুলি ব্যবহার করে সমাবেশকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। বিভিন্ন সূত্র মতে, এই অভিযানে শত শত মানুষ নিহত হন, যদিও সঠিক সংখ্যা আজও অজানা।
আওয়ামী লীগ: জন্মগতভাবে সন্ত্রাসী দল
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চূড়ান্ত উদাহরণ। এ দলের ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়, তারা সহিংসতা, লুটপাট, ধর্ষণ, এবং দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনে আতঙ্ক তৈরি করে রেখেছে।
লগি-বৈঠার রাজনীতি: ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার তাণ্ডব দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তারা প্রকাশ্যে বিরোধীদের পিটিয়ে হত্যা করে, যা রাজনীতির নামে সন্ত্রাসের নজির। আওয়ামী লীগের সেই রক্তমাখা দিন এখনো জনগণের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার স্বৈরাচারি শাসনের অবসান ও তক্তাবদায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটপূর্ণ ও অস্থিতিশীল। দেশে স্বৈরাচারের শাসন চলমান আছে, যেখানে জনগণের কথা উপেক্ষা করে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার, যার নেতৃত্বে রয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা, গত প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় ধরে দেশের শাসনকার্য চালিয়ে আসছে, কিন্তু এর শাসনকালের মধ্যেই দেশে গণতন্ত্রের কবর হয়েছে।
সরকারের তরফ থেকে নির্বাচনের কথা বলা হলেও, সেগুলো ছিল শুধুই এক ধরনের নাটক। গণতন্ত্রের মূল স্তম্ভ, সুষ্ঠু নির্বাচন, আর জনগণের স্বাধীন মতপ্রকাশ আজ পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন। এক এক করে সরকার সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে ফেলেছে এবং জনগণের উপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে।
