CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP): আমাদের প্রত্যাশা ও সতর্কতা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) একটি আলোচিত নাম। আমরা চাই, এই দল সত্যিকারের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করুক এবং দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনুক। কিন্তু একইসঙ্গে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেন তারা ভবিষ্যতে পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি, স্বৈরতন্ত্র বা ফ্যাসিবাদের পথে না হাঁটে, যেমনটা আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে। NCP যদি সত্যিকারের জনগণের দল হতে চায়, তাহলে তাদের অবশ্যই মুক্ত চিন্তার চর্চা করতে হবে। তারা যেন কোনো একক নেতার ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করার জন্য কাজ না করে, বরং জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশে ভোটাধিকার প্রায় হারিয়ে গেছে। আমরা আশা করি, NCP একটি নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের দাবি তুলবে এবং নিজেদের স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচন করবে।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

ছাত্রদলের নৈরাজ্য: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি সন্ত্রাসীদের দখলে?

বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কি সত্যিই শিক্ষার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পেরেছে, নাকি এগুলো রাজনৈতিক সহিংসতার আস্তানায় পরিণত হয়েছে? গতকাল মজ্ঞলবার কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতৃত্বে যে সহিংস হামলা চালানো হয়েছে, তা আমাদের আবারও মনে করিয়ে দেয় যে, শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করার জন্য রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ভূমিকা কতটা ধ্বংসাত্মক হতে পারে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলছিল, যেখানে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের দাবি জানানো হচ্ছিল। কিন্তু সেই বিক্ষোভে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রক্তাক্ত করে। শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন, এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনকে বিজিবি মোতায়েন করতে বাধ্য হতে হয়।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের হামলা: জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর সন্ত্রাস দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা ক্ষমতায় এসেই দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে ছাত্রলীগকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। তবে নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ থামেনি। বরং দেশজুড়ে সাধারণ ছাত্র, নাগরিক এবং সমন্বয়দের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে। প্রশ্ন হচ্ছে—নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠন কীভাবে এমন সন্ত্রাসী হামলা চালাতে পারে? এ দায় কি শুধুই ছাত্রলীগের নাকি সরকারের অদক্ষতা ও প্রশাসনের দুর্বলতার প্রতিফলন?

বর্তমানে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের মূল লক্ষ্য হলো বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক, সরকারের উপদেষ্টা, ছাত্রজনতা এবং স্বাধীন মত প্রকাশকারী একটিভিস্ট, জার্নালিস্ট, ব্লগারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, গুম, খুন, হত্যা করে তাদের দমন করা। তারা বাংলাদেশে ফাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনার পুর্নবাসন ও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখতে বেপরোয়া হামলা চালাচ্ছে। ফলে তাদের সন্তাসী কর্মকান্ড দমনে বর্তমান ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

আইনজীবী সাইফুলকে হত্যা: এর পেছনের কারণ কি?

স্বৈরাচার হাসিনা ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে দেশ নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। বিভিন্ন রুপে আওয়ামী লীগ রাস্তায় নামিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। হাসিনা হিন্দুদের দিয়ে দেশে ডাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসকনের হামলায় একজন আইনজীবী নিহত হয়েছে। দেশ ও দেশের বাহিরে থেকে দেশ নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করছেন, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি করছি। চারিদিক থেকে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। যে কোনো ধরনের ধর্মীয় দাঙ্গা আমাদের সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। দেশে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক কাজ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। 

CategoriesDemocracyHuman RightsJusticePolitics

আহত মানুষের রাস্তায় নামা: সরকারের ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি”

১৩ নভেম্বর, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পঙ্গু হাসপাতালের সামনে আহত মানুষরা হাসপাতালে বিছানা ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। তাদের দাবি দুটি—সুচিকিৎসা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের পদত্যাগ।

বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের কারণ সুস্পষ্ট। তারা তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন, কিন্তু এখন তাদের জীবনের জন্য লড়াই করতে হচ্ছে। আহত অবস্থায়ও তাদের পথে নামতে হলো, কারণ তারা সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না। তাদের অভিযোগ, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা তাদের সঙ্গে দেখা না করেই হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এ দৃশ্য শুধু সরকারকেই বিব্রত করেনি, প্রশ্ন তুলেছে সরকার ও সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের দায়িত্ব ও দক্ষতা নিয়েও।