১৯৭২-৭৫ সালে তৎকালীন সরকার রক্ষী বাহিনী দিয়ে নকশাল নিধনের নামে দেশে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে যে নিষ্ঠুরতায় মেতে উঠেছিলো, বর্তমান সরকার তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিপক্ষ শক্তিকে নিধনের খেলায় মেতে উঠে ক্ষমতার দাম্ভিকতা দেখাচ্ছে। আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই তারা হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে। এরই ফলশ্রুতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিশ্বজিৎকে নৃসংশভাবে হত্যা করেছে।
Tag: মানবাধিকার
অধ্যাপক রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ড: জঙ্গিবাদের বিষবৃক্ষের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে
২৩ এপ্রিল ২০১৬, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দিনের আলোয় প্রকাশ্যে ঘাতকেরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। হত্যার ধরন, সময় এবং বার্তা পরিষ্কার করে দেয়—এটি ছিল একটি সংগঠিত, পূর্বপরিকল্পিত জঙ্গি হামলা। এ হত্যাকাণ্ড কেবল একটি জীবন নিঃশেষ করে দেয়নি; এটি ছিল মুক্তচিন্তার উপর এক গুরুতর আঘাত।
এই হত্যার পর আবারো প্রশ্ন উঠে: বাংলাদেশ কি নিরাপদ? সরকারের দায়িত্ব কি কেবল শোক প্রকাশ করা, নাকি এই হত্যার শেকড় উপড়ে ফেলা?
পুলিশ করলো শিশু নির্যাতন
কোথাও যখন ঠাই পায় না তখন মানুষ ছুটে আসে পুলিশের কাছে। কিন্ত এই রক্ষকেরা যখন ভক্ষক হয় তখন সমাজের অসহায় মানুষ গুলো কার কাছে যাবে ?
এটা বিবেকের কাছে প্রশ্ন? শিশুটিকে নির্যাতন করে পুলিশ চরমভাবে মানবাধিকার লজ্ঞন করেছে।
