বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে জুলাই অভ্যুত্থান স্থান করে নিয়েছে, যার অন্যতম একটি অর্জন হলো আজ ছাত্রলীগ নামক সন্ত্রাসী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা। প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এটি ছিল একটি যৌক্তিক এবং সাহসী সিদ্ধান্ত, যা দেশের শিক্ষা, রাজনীতি ও সামাজিক শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
Tag: human rights
ছাত্রলীগকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে নিষিদ্ধ চাই।
অনতিবিলম্বে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ও বেআইনি ঘোষণা করতে হবে। গত ১৬ বছরে দেশের বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যক্রমের পেছনে ছাত্রলীগের সক্রিয় ভূমিকা লক্ষ করা গেছে। ছাত্র-জনতার বিপ্লবে সারা দেশে হাজার হাজার নিরীহ ছাত্র-ছাত্রী নিহত হয়েছে, যার মধ্যে আবু সাঈদ ও মুগ্ধের নির্মম হত্যাকাণ্ড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বিরোধ মিটলেও যুবককে হত্যা: ভাইয়ের অবস্থা সংকটজনক, কবে আসবে বিচার?
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ছুরিকাঘাতে মাসরুল মিয়া (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত ছোট ভাই মাসুম মিয়াকে (১৭) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চন্ডীগড় ইউনিয়নের একতা বাজারে দুই ভাইয়ের ওপর হামলা চালায় স্থানীয় কয়েকজন। এসময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই ধারালো ছুরি দিয়ে হামলাকারীরা মাসরুল ও তার ছোট ভাইয়ের পেটে ও ঘাড়ে বেশ কয়েকটি আঘাত করে পালিয়ে যায়।
আজ সেই ভয়াবহ ৫ই মে: শাপলা চত্বরের নৃশংসতা
আজ সেই ভয়াবহ ৫ মে-। ২০১৩ সালের ৫ মে, ঢাকার শাপলা চত্বরে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। হেফাজতে ইসলামের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নিরীহ মানুষদের ওপর ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে বর্বরোচিত আক্রমণ চালায়, তা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন এবং ফ্যাসিবাদের নগ্ন প্রকাশ।
হেফাজতে ইসলাম তাদের ১৩ দফা দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করছিল। কিন্তু বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার এই সমাবেশকে নির্মমভাবে দমন করতে বেছে নেয় রক্তাক্ত পথ। রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে, টিয়ার শেল, রাবার বুলেট এবং তাজা গুলি ব্যবহার করে সমাবেশকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। বিভিন্ন সূত্র মতে, এই অভিযানে শত শত মানুষ নিহত হন, যদিও সঠিক সংখ্যা আজও অজানা।
আওয়ামী লীগ: জন্মগতভাবে সন্ত্রাসী দল
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের চূড়ান্ত উদাহরণ। এ দলের ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়, তারা সহিংসতা, লুটপাট, ধর্ষণ, এবং দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনে আতঙ্ক তৈরি করে রেখেছে।
লগি-বৈঠার রাজনীতি: ২০০৬ সালে লগি-বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার তাণ্ডব দেখিয়েছে আওয়ামী লীগ। তারা প্রকাশ্যে বিরোধীদের পিটিয়ে হত্যা করে, যা রাজনীতির নামে সন্ত্রাসের নজির। আওয়ামী লীগের সেই রক্তমাখা দিন এখনো জনগণের স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করছে।
